বিশ্বকাপ ফুটবল / মেসি-বেলিংহ্যামদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, গোলশূন্য প্রথমার্ধ
ব শ বক প ফ টবল ম – বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা মধ্যে তীব্র সংগ্রাম চলছিল। মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে গোলের দেখা মেলেনি প্রথম ৪৫ মিনিটে। দুই দলই মাঝমাঠে প্রতিপক্ষকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু কেউ রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ভাঙতে পারেনি।
খেলার শুরু থেকে দুই দলের খেলোয়াড়রা শারীরিক বিষয়ে কঠোর আক্রমণ করেছিল। দ্বিতীয় মিনিটে লিয়ান্ড্রো পারেদেস জুদ বেলিংহ্যামকে ট্যাকল করে ফাউল করেন। এরপর মাঝমাঠে মেসি, বেলিংহ্যাম, অ্যান্ডারসন ও এনজো ফার্নান্দেজের নাম ছাড়া অন্য কোনো খেলোয়াড়ের কাছে সংঘটিত হয়নি কোনো গুরুত্বপূর্ণ সংঘটনা।
প্রথম ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনা চারটি ফাউল করেছিল, যা বর্তমান বিশ্বকাপে কোনো দলের প্রথম ১০ মিনিটে সর্বোচ্চ ফাউলের রেকর্ড। মাঝমাঠে ক্রমবর্ধমান সংগ্রাম চলতে থাকলেও কোনো দলই উল্লেখযোগ্য শট নিতে পারেনি।
২৮ মিনিটে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইনের বল স্পর্শের সংখ্যা ছিল মাত্র চারটি, যা খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে কম। প্রথমার্ধে এলিয়ট অ্যান্ডারসন মেসিকে ছায়ার মতো অনুসরণ করেছিলেন। বল কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি আক্রমণের চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
৩৭ মিনিটে মেসি ড্রিবল করে কয়েকজনকে কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পর লিসান্দ্রো মার্তিনেজ অ্যান্ডারসনের ট্যাকলে আর্জেন্টিনা অধিনায়ককে মাটিতে পড়তে হয়। সেই ঘটনার পর দুই দলের খেলোয়াড়রা রেফারিকে ঘিরে ধরে সমাধান চেয়েছিল। কিছুক্ষণ উত্তেজনা চললেও রেফারি ইসমাইল এলফাথ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
৩২ মিনিটে জুদ বেলিংহ্যামের সুযোগে ফ্রি-কিক থেকে ইংল্যান্ড প্রায় এগিয়ে যায়। ডেকলান রাইসের ভাসানো বলে জন স্টোনস লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে পরাজিত করেন। কিন্তু বল জালের পাশ ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। অন্যদিকে ৩৯ মিনিটে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি-কিক থেকে আর্জেন্টিনার সেরা সুযোগ আসে। ছোট পাসে বল ফেরত পান মেসি, তার শট হ্যারি কেইনের গায়ে লেগে ফিরে আসে এনজ�