বিশ্বকাপ ফুটবল / শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড উত্তপ্ত লড়াই
ব শ বক প ফ টবল শ – মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল স্পেশাল উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে চাপ সৃষ্টি হয়েছিল বলে দেখা গেল, যা মাঠের খেলায় প্রতিফলিত হচ্ছে। বিশ্বকাপের বৃহত্তর বিপ্লব হওয়া বলে বিশ্বাস করা হচ্ছিল না, কিন্তু বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছড়িয়ে পড়েছে আজ থেকে বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে আলোচনার মধ্যে।
প্রথম মিনিটে জোর আঘাত
মাঝমাঠের খেলায় স্পষ্ট প্রতিযোগিতা দেখা গেল। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে জুদ বেলিংহ্যামকে ট্যাকল করে দুর্দান্ত একটি ফাউল করেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এর পর এনজো ফার্নান্দেজ অ্যান্ডারসনের বাক্সে প্রতিশ্রুতি ঘটিয়েছিলেন, যার কারণে আর্জেন্টিনা ফ্রি-কিক পায়।
“যেহেতু মাঠে প্রতিযোগিতা চালু হয়েছে, সেমিফাইনাল চালানো সম্ভব হবে না বলে আমাদের বিশ্বাস ছিল।”
প্রথম ১০ মিনিটে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সক্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। তিনি আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ভুল পাস কেটে নিয়ে অ্যান্থনি গর্ডনের উদ্দেশ্যে দারুণ থ্রু বল প্রেরণ করেন। বল পেয়ে গর্ডন তার ক্রস করেছিলেন, কিন্তু আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ সহজেই বাক্স করেন।
প্রথম ১২ মিনিটে কোনও দলই পুরোপুরি বল দখল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পেরেছে না। যেহেতু আর্জেন্টিনার মেসি প্রথম বাঁশি পেয়েছিলেন, তার পর ইংল্যান্ডের সামনে শুরু হয়েছিল নির্মম আঘাত ও মাঝমাঠের বিপর্যয়।
সেট-পিস থেকে ইংল্যান্ডের ক্রস করার চেষ্টা করেছিলেন ডেকলান রাইস, কিন্তু আর্জেন্টিনার পক্ষে সেটি কোনও বিপদ তৈরি করতে পেরেছে না। তবে ম্যাচের শুরুতে আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ অ্যান্ডারসনকে ট্যাকল করে মাঠে সংঘর্ষ তৈরি করেছিলেন। এরপর মর্গান রজার্স ও পারেদেস উভয়েই মাঠের দুর্দান্ত আঘাতে জড়িয়ে পড়েন।
অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে রেফারি ইসমাইল এলফাথ দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ঘটিয়ে তিনি আর্জেন্টিনাকে ফ্রি-কিক দিয়ে সামাল দেন। তবে ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।
ম্যাচের প্রথম দুই ঘন্টায় গোলে