রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান: গণতন্ত্রকামী মানুষের আত্মত্যাগের ফসল
র ষ ট রপত জ ল ই – রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আত্মত্যাগের ফসল। এ বুধবার (১৫ জুলাই) জুলাই শহীদ দিবসের উপলক্ষে তিনি ঘোষণা করেন যে গণঅভ্যুত্থানটি কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক প্রয়াস নয়। সর্বজনীন আত্মত্যাগ ও জনগণের একত্র চেতনার ফলে এটি সাহস ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি হিসেবে গণ্য।
জনগণের স্বাধীনতা গ্রহণের চেতনা
রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতা জনগণের কাছে আছে। তাদের মৌলিক অধিকার, স্বার্থ ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব। গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘদিনের শোষণ ও দুর্নীতি প্রতি মানুষের মোটামুটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হয়।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি ছিল জনগণের শক্তি ও স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ চালানো।’
১৬ জুলাই শহীদ দিবসে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন যে গণঅভ্যুত্থানের প্রতিটি পর্যায়ে জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানো হবে। এ বাণীর প্রতিটি কথা ছিল শহীদ ও আত্মাহুতি করা তরুণদের প্রতি স্মৃতি গৃহীত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রভাব ও নতুন পর্যায়
রাষ্ট্রপতি আরও উল্লেখ করেন যে দমনের প্রতিকারে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি ঘোষণা করেন যে আত্মোৎসর্গের ফলে গৃহীত কর্মসূচি নতুন পর্যায়ে আন্দোলনকে উন্নত করেছে। এটি শিক্ষার্থীদের সংগ্রাম ও বিশ্বাসী মানুষের সংগঠনের চূড়ান্ত পর্যায় হিসেবে গণ্য।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘদিনের বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতি নতুন আশা জন্মাচ্ছে। শহীদদের আত্মাহুতি করার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের চেতনা বিস্তার করা হয়েছে।
সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের সম্মান নিশ্চিত করতে এবং তাদের পরিবারের কল্যাণ ও হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার গ্রহণ করতে। রাষ্ট্রপতি আরও আহ্বান জানা�