মেসি নাকি ইংল্যান্ড, সমর্থন নিয়ে উভয় সংকটে বেকহ্যাম
ম স ন ক ই ল য – বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড এবং আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়েছেন। এই ম্যাচের পরিচালনার পিছনে উঠে আসছে জাতীয় দলের সম্পর্ক ও আনুগত্যের এক ভিন্ন গল্প। ডেভিড বেকহ্যাম এবার তাঁর ক্লাব ইন্টার মিয়ামির সমর্থন করছেন, যার বিপক্ষে লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার তারকা হিসেবে খেলছেন। তবে ব্যক্তিগত বিরোধ নয়, বরং দুই দেশের সম্পর্কের একটি আঁকড়া আছে।
বেকহ্যাম ইন্টার মিয়ামির স্থাপনার পর ক্লাবটি আর্জেন্টিনার সম্পূর্ণ বিশ্বাসে গুরুত্ব পেয়েছে। মেসি যখন সেখানে যোগ দেন, তখন তাঁর আসার ফলে ক্লাবের পরিচয় বদলে যায়। স্পেন সংবাদমাধ্যম মার্কা এই পরিস্থিতিকে বিশ্বাসঘাতকতার চিহ্ন হিসেবে তুলে ধরেছে।
বেকহ্যাম আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলা কাছ থেকে অনুসরণ করেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে তাঁর ম্যাচ গ্যালারিতে অবতরণ করেছিলেন। মিশরের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর তিনি মেসিকে এমএলএস ক্লাবের সাফল্যের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
“মেসি খুবই বিশেষ একজন মানুষ। শুধু মাঠে যা করে, তা নয়; মাঠের বাইরের মানুষ হিসেবেও সে অসাধারণ।”
বিশ্বকাপ দুই দেশের মধ্যে যে আনুগত্য থাকে, এখন সেই সংকট আরও গভীর হয়েছে। ইংল্যান্ডের প্রতি বেকহ্যামের আবেগ এবং আর্জেন্টিনার প্রতি মেসির ভরসা এই ম্যাচের দুই মেরুতে চাপিয়েছে। এমএলএস এবং ইতিহাসের সাপোর্টার্স শিল্ড বিজয় পর্যন্ত আসে মেসির নেতৃত্বে। ইন্টার মিয়ামি তাঁর অসামান্য প্রভাবে বিশ্বজুড়ে স্বাক্ষর করেছে নতুন এক মাত্রা।
বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক বিরোধের কয়েকটি সংকট বর্তমানে মাঠে আসছে। যেমন ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের বিজয়, ১৯৮৬ সালে হাত দিয়ে করা গোলের বিতর্ক, ১৯৯৮ সালে বেকহ্যামের লাল কার্ড ইত্যাদি ঘটনাগুলো দুই দেশের ফুটবল প্রতিযোগিতাকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করেছিল। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এই নতুন দুই মেরুতে মেসির আশা এবং বেকহ্যামের আবেগ চাপিয়ে দিচ্ছে।