National

দুই শপথের বিতর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া জবাব

দুই শপথের বিতর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া জবাব দ ই শপথ র ব তর ক - জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা চলছে। সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদল

Desk National
Published July 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

দুই শপথের বিতর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কড়া জবাব

দ ই শপথ র ব তর ক – জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা চলছে। সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদল ওয়াকআউট করে যাওয়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাদের দাবির বিরুদ্ধে কড়া জবাব দেন। বিরোধীদল কমিটি গঠনের প্রস্তাবকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে বিশেষ করে কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি ছাড়া তাদের বিরোধী করেছেন।

বিরোধীদলের ওয়াকআউট এবং তাদের দাবি

১৩ জুলাই সোমবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বিরোধীদল অধিবেশন থেকে বের হয়। বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে সব দলই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং তারা দুটি শপথ নিয়েছেন যার মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথের দাবি রয়েছে। এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তারা কমিটি গঠন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছেন এবং বলেন এই কমিটি গঠনের মাধ্যমে জনগণের মতামত অগ্রাহ্য করা হয়েছে।

“জনগণের রায়কে কোনোভাবেই অগ্রাহ্য বা অপমান করা উচিত হবে না। এই বিপুল জনমতকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে কিনা সেটি দেখা দরকার। যদি এইভাবে তাদের রায় অবলীলায় শেষ করা হয়, তবে ভবিষ্যতে দেশের মানুষ গণতান্ত্রিক পদ্ধতির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলবে এবং বিদ্রোহী হয়ে উঠবে।”

ড. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেন যে বিরোধীদল তাদের দুটি শপথ নেওয়া যাবে না বলে মনে করছেন। তিনি বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুসারে সংসদ অধিবেশন পরিচালিত হয়েছে। সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠনের প্রস্তাবটি প্রথম অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্থাপন করেছিলেন এবং সেই দিনই বিরোধীদল তাদের অবস্থান প্রকাশ করেছিল। কিন্তু সেই দল কমিটির জন্য কোনো সদস্যের নাম দেবে বলে কখনোই জানায়নি। তিনি আরও বলেন যে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে কমিটি গঠনের প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাংবিধানিক আপত্তি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দুটি শপথ নেওয়া হলে প্রথমটি অবৈধ হয়ে যাবে। তিনি দাবি করেন যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৮ এবং তৃতীয় তফসিল লঙ্ঘন করে আইনি নথিতে পাস করে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। তার কারণে গণভোটের আদেশ সাংবিধানিক ভিত্তিহীন হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক ক্ষমতা বহির্ভূত করেছেন। কমিটি গঠনের প্রস্তাব তৈরি করার মাধ্যমে জনগণের মত

Leave a Comment