গাইবান্ধার হরিদাসের অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক ৯.৩৫ কোটি টাকার লেনদেন
গ ইব ন ধ র হর দ – গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামে বসবাস করেন হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস। তিনি বর্তমানে সিআইডি কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে যে তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক রূপে পরিচিত হয়েছে ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বিস্তারিত লেনদেনের তথ্য। সিআইডি ফাইন্যানসিয়াল ক্রাইম ইউনিট তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সিআইডি ফাইন্যানসিয়াল ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি প্রমাণ করেন। তিনি জানান, অপরাধ তদন্ত বিভাগ প্রাথমিক অনুসন্ধানে হরিদাস চন্দ্র তরনী দাসের বৈধ আয় উৎসের কোনো তথ্য পায়নি। কিন্তু তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও এমএফএস অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা এবং উত্তোলনের পরিমাণ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে।
“হরিদাস চন্দ্র তরনী দাসের বিভিন্ন হিসাবে অসংখ্য ব্যক্তি অর্থ জমা দিয়েছেন যার সাথে তার পেশা ও ঘোষিত আয়ের সামঞ্জস্য নেই।”
সিআইডি সুপার বলেন, তদন্তে এটা আবিষ্কৃত হয়েছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগ এখনও বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস হিসাবে সংঘটিত সন্দেহজনক লেনদেনের উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সম্ভাব্য অর্থ পাচারের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস বিভিন্ন সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন। বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিজের এডিট করা ছবি প্রদর্শন ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে সেভ করা ভুয়া ফোনকল দেখানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
তদন্ত শুরু হয়েছে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়া, বদলি করানো, হুন্ডি ব্যবসা ও সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে বনানী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও দণ্ডবিধির প্রতারণা ও আত্মসাত ধারায় একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলার তথ্য বর্তমান অনুসন্ধানে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী থানার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামে শ্রী গোপীনাথ তরনী দাসের ছেলে। তিনি ২০০৬ সালে হাসবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০৮ সালে ঢাকা ক্যাম্ব্রিয়ান কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ২০১০ সালে অবৈধভাবে �