আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ৭০০ পরিবারের পাশে সিএমপি, চলছে ত্রাণ বিতরণ
আশ রয়ক ন দ র থ ক – আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা বিভিন্ন পরিবারের সাহায্য করতে সিএমপি নতুন কর্মসূচি চালু করেছে। গুরুতর বৃষ্টি এবং জল জমাট বাঁধার কারণে চট্টগ্রাম শহরের পরিসরে অবস্থান করা ৭০০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য ও মূল্যবান সামগ্রী বিতরণ করছে সংস্থাটি। এ কার্যক্রম সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী এর পরিচালনায় প্রতিদিন চালু রয়েছে এবং বিভিন্ন এলাকার আশ্রয়কেন্দ্রে অবতরণ করছে।
ত্রাণ কার্যক্রমে সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা
রোববার (১২ জুলাই) রাতে আকবরশাহ থানার অধীন ফিরোজশাহ কলোনিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে ৯৫টি পরিবারের জন্য ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এতে অংশ নিয়েছিলেন পশ্চিম অঞ্চলের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন এবং আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান। আগের দিন রাত ৮টায় খুলশী থানার অধীন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আশ্রয়কেন্দ্রে অপর ৬০টি পরিবারের মধ্যে সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ কার্যক্রমে উত্তর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সোহেল পারভেজ ও খুলশী থানার কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক অংশ গ্রহণ করেন।
সিএমপি ঘোষণা করেছে যে দুর্যোগ সময়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা পাশাপাশি মানবিক সহায়তাও অব্যাহত থাকবে।
নগরীর চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, বায়েজিদ বোস্তামী এবং ইপিজেড সহ বিভিন্ন থানার আওতাধীন আশ্রয়কেন্দ্রে জল জমাট বাঁধা মানুষের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চালু রয়েছে। সিএমপি কার্যক্রম প্রতিদিন সকালে চালু হয় এবং সন্ধ্যায় পর্যন্ত চলে। পরিবারগুলোকে প্রতিদিন একটি নিরাপদ জায়গায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে যাতে তারা খাদ্য, দুধ, চাটনি ও স্বাস্থ্য উপাদানের সরবরাহ পায়। এ কার্যক্রমে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের সম্পূর্ণ পরিবারে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
ত্রাণ কার্যক্রমে আশ্রয়কেন্দ্রে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিক্রিয়া
এ কার্যক্রমে প্রতিদিন সিএমপি কর্মীদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া হয় যাতে সব পরিবারের স্থিতি এবং প্রয়োজনীয়তা জানা যায়। তারপর সামগ্রী সংগ্রহ ও বিতরণের কাজ চালু করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য ত্রাণ বিতরণের কাজ কার্যকরভাবে চালু রয়েছে। বিভিন্ন এলাকার সাথে সিএমপি পরিচালিত কার্যক্রমের সম্পর্ক বিস্তার করা হচ্ছে যাতে পরিবারগুলো আশ্রয়কেন্দ্রে তথ্য বিনিময় করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেতে পারে।
আশ্রয়কেন্দ্রে পরিবারগুলো প্রতিদিন বৃষ্টির সময় আক্রান্ত হয়েছিল। এখন তাদের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রতি সিএমপি পরিচালিত কার্যক্রম চলছে। কমিশনার শওকত আলী এর বিশেষ ঘোষণায় আশ্রয়কেন্দ