যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
যশ র য বদল ন ত ক – যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে শুরু করে সারা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা তেলপাম্প এলাকায় আগত পূর্বশত্রুতার কারণে এই ঘটনা ঘটে। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি গাড়ি ওজন করার স্কেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুবেল হোসেন (৩৮) খাজুরা তেলপাম্প সংলগ্ন তেলি ধান্যপোড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত মুনতাজ ঢালীর ছেলে এবং বন্দবিলা ইউনিয়নের যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী কার কাছে পুলিশ তদন্ত শুরু
তদন্ত অনুযায়ী অভিযোগ গৃহীত হয়েছে যে রুবেল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করার সত্য কারণ খুঁজতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তাঁকে শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাতাড়ি করে গুরুতর জখম করা হয়। অভিযুক্ত রাব্বি ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় তাঁকে নিহত রুবেলের ছোট বোনের দেবর বলে পরিচিত করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের পরীক্ষার পর রুবেলকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তাঁর মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার পর থেকে পুলিশ এলাকায় সন্ধানে কাজ করছে।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ জালাল আলম বলেন, যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার সত্য কারণ খুঁজতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন দল অভিযান চালাচ্ছে। এই ঘটনা প্রায় সারা এলাকাকে আঘাত করেছে।
হাসপাতালে মৃতদেহ প্রতিবেদনের জন্য পাঠানো হয়
যশোরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রুবেল হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁর মৃতদেহ হাসপাতালে প্রতিবেদনের জন্য পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর থেকে যশোরে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করার ব্যাপারে এলাকার মানুষের মধ্যে একটি আশঙ্কা জাগে। যুবদল সদস্যদের অস্ত্র ব্যবহারে গুরুতর জখম হওয়ার পর হত্যার ঘটনার সত্য কারণ খুঁজতে পুলিশ এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
রুবেল হোসেনের মৃ