Country

দোকান কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারলেন মালিকের ছেলে

2b2b73a7-cfea-4d85-9419-e183eb2404af-0

রংপুরে হত্যাকাণ্ডে দোকান কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারলেন মালিকের ছেলে

Bangladailypost.com – দ ক ন কর মচ র ক বিষয়ে রংপুর খামার মোড় এলাকায় একটি চোখ ফাটানো ঘটনা ঘটেছে। আঘাতপ্রাপ্ত শাওন (২৫) নামের কর্মচারী মৃত হয়েছেন হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারার ফলে। ঘটনাটি মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে সংঘটিত হয়েছে যখন দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন আমির হোসেনের ভাজাপোড়া দোকানে। আইন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মালিকের ছেলে তাঁকে আঘাত করেছেন যার ফলে শাওনের জীবন হারানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে তিনি তাঁর শিশু ছেলেকে অপরাধে জড়িত বলে ধরেছেন।

ঘটনার সম্পূর্ণ সারাংশ

দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন খামার মোড় এলাকায় আমির হোসেনের দোকানে। ঘটনার শুরুটি রাত ৯টার দিকে হয়েছে যখন শাওন এবং মনু (৩০) এর মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। বিবাদটি তাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারার পর সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা শাওনকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এই ঘটনার প্রতি বিশেষ সংবেদনশীল মনে করা হচ্ছে যে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন একটি পরিবারের দোকানে।

মালিকের ছেলের সাথে তাঁর সম্পর্ক

দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন আমির হোসেনের ছেলে মনু এর দোকানে। ঘটনার আগে তাঁদের মধ্যে ক্ষুদ্র বিবাদ রয়েছে যেটি শেষ পর্যন্ত বিপদের পথে পরিণত হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনার পর মনুকে আটক করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করেছেন। ঘটনার প্রতিবেদনে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন একটি স্থানীয় দোকানে যেখানে তাঁর আঘাত হয়েছে। ঘটনার পর মনুকে হেফাজত করা হয়েছে যার ফলে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন দোকান কর্মচারী হিসাবে তার জীবন হারানো হয়েছে।

রাতে ঘটে ঘটনা

মঙ্গলবার রাতে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন খামার মোড় এলাকার একটি দোকানে। বিবাদটি শুরু হয় তার হাতুড়ি ফেলার কারণে। বাসিন্দারা বলেছেন যে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন প্রতিদিন পরিচালনা করতেন। ঘটনার সময় তিনি হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারেন। তিনি এটি করেছেন একটি অবহেলা প্রতিবেদনের পর। স্থানীয় বাসিন্দারা দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন শাওন এবং মনু এর মধ্যে বিবাদ ঘটেছে যার ফলে শাওনের মৃত্যু হয়েছে।

আইনে প্রচলিত ব্যবস্থা

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ বলেছেন যে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেছেন যে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন ঘটনার সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি আইনানুগভাবে যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। আঘাতে শাওন মৃত হয়েছেন যখন দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন আমির হোসেনের দোকানে। তিনি বিবাদে নিহত হয়েছেন যে কারণে দ ক ন কর মচ র কে কর্মরত ছিলেন একটি হামলার শিকার হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *