এলডিসির জন্য রেয়াতি অর্থায়ন ও বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো সংস্কারের আহ্বান
এলড স র জন য র য – এলডিসি গ্রুপ স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী ও পূর্বানুমেয় রেয়াতি অর্থায়ন বৃদ্ধি করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে। পর্যাপ্ত ও সহজপ্রাপ্য রেয়াতি অর্থায়ন বৃদ্ধি করে বাজারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল বৈষম্য দূর করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার দরকার হবে বলে তুলে ধরে তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
“২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি উদ্বেগজনকভাবে পিছিয়ে রয়েছে।” বলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
বর্তমানে বাংলাদেশ ও নেপাল এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত করার আবেদন জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, এই অতিরিক্ত সময়টি সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু উত্তরণ কৌশল (এসটিএস) প্রয়োগ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সাধন করার জন্য এটি অপরিহার্য।
আগামী বছর কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত হবে দোহা কর্মসূচির মধ্যমায়েয়াদি পর্যালোচনা। এটিকে টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কার্যকর মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারবে বলে তিনি আশা করেন।
বিশ্বাসযোগ্য বৈশ্বিক সংহতির পরীক্ষা
ড. তিতুমীর আরও বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সম্মুখে স্থায়ী চ্যালেঞ্জ জন্মগ্রহণ করেছে, যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ঋণ বোঝার সমস্যা, সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) হ্রাস, ডিজিটাল বৈষম্য এবং সাশ্রয়ী অর্থায়নের সীমিত সুযোগ। এগুলো বর্তমান সংস্থাগুলোর সামাজিক এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা বাধাগ্রস্ত করছে এবং দোহা কর্মসূচির লক্ষ্য অর্জনকেও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হচ্ছে। এলডিসি গ্রুপ সব অংশীদারদের সাথে যুক্ত হয়ে সামুদ্রিক উন্নয়নে �