বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস
ব ল দ শ ম ড ক – সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কোম্পানি আইনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারের জন্য সংশোধিত আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিন বিলটি সংসদে পাস হয়েছে। সংসদীয় বিশেষ কমিটির পরামর্শ গ্রহণ করে আইনটি উত্থাপন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন। গত ২৮ জুন তিনি বিলটি প্রথমবার সংসদে উত্থাপন করেন, যার পর অধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তা কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল।
সংশোধিত আইনটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে কোম্পানি গঠনের সুযোগ দেয়, যার মাধ্যমে লাভজনক বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যাবে। আইনে বিশ্ববিদ্যালয় কোম্পানি শেয়ার অধিগ্রহণ করতে পারবে এবং তা ধারণ ও হস্তান্তর করতে পারবে। এ আইনের আওতায় কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত অর্থ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যয় করা হবে। বিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল ভবনের নির্মাণ শেষ হলেও পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি বলে বোঝা গেল। তাই সংশোধনী আনা হয়েছে সুস্পষ্ট ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য।
বিরোধীদলের সদস্যরা বিলটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবার বেসরকারিকরণের দিকে পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তারা বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যসেবা কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হওয়া উচিত নয়। এতে চিকিৎসাসেবা বাজারমুখী হয়ে সাধারণ মানুষের মৌলিক সেবা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
“দেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এটি একটি ‘অনন্য’ উদ্যোগ। কোম্পানির মাধ্যমে হাসপাতাল পরিচালিত হলে নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে। চিকিৎসক এবং অন্যান্য জনবল নিয়োগ সহজ হবে, দেশি-বিদেশি খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করা যাবে। চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ আরও শক্তিশালী হবে।” — স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন
সরকারের পক্ষে বিলটির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নতুন কাঠামোর মাধ্যমে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবার পরিসর আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। বিশ্ববিদ্যালয�