মুক্তিযোদ্ধাদের বেদখল সম্পত্তি উদ্ধারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
ম ক ত য দ ধ দ – মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান যে, বেদখল হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রকাশ করেন।
উন্নয়ন কর্মসূচি অনুসরণের প্রস্তাব
মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা অনুসরণ করছেন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মিলনায়তন সংস্কার এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ২০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সাথে সাথে অতীতে বেদখল হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রচেষ্টা চালু করা হয়েছে।
‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক অবিস্মরণীয় রূপকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ একজন সাহসী সেনা কর্মকর্তা হিসেবে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা পর্বে জাতিকে দিকনির্দেশনা দেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দেশের মর্যাদা ও উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।’
মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ
মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা যুদ্ধ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তেলিয়াপাড়া সম্মেলনে তার প্রস্তাবেই যুদ্ধের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ’ নির্ধারণ এবং প্রাথমিকভাবে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করতে বিশেষ অবদান রাখে।
সংসদে আহমেদ আযম খান আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য প্রাসঙ্গিক। তার নেতৃত্বে দেশ আত্মনির্ভরশীলতা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও জনগণের ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে যেতে শুরু করেছিল।