লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের মিছিলের পর গ্রেফতার হয়েছে ১২ জন ব্যক্তি
ল লমন রহ ট ছ ত রল – লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের প্রকাশ্যে মিছিলের ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনী একটি যৌথ অভিযান চালায়। বিশেষ করে ছাত্রলীগের প্রকাশ্য মিছিলের পর জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে মোট ১২ জনকে, যাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও কৃষকলীগের নেতাদের মধ্যে ছাত্রলীগের কর্মীদের সংখ্যা অনেক বেশি। গত শুক্রবার (৫ জুন) লালমনিরহাটে সংঘটিত মিছিলের পর পুলিশ জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ এ ঘটনায় আরও ৪০ থেকে ৪৫ জন আসামি করেছে।
গ্রেফতারদের বিস্তারিত তথ্য
গ্রেফতার হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এরশাদুল হক, কালীগঞ্জ থানার ভোটমারী ইউনিয়নের ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফুল হক এবং অন্যান্য কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আজিজার রহমান। ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আদনান শুভ ও কৃষকলীগের সভাপতি তুহিনুজ্জামান বাবু গ্রেফতার হয়েছেন। মামলায় আসামি হিসাবে নামোল্লেখ করা হয়েছে কালীগঞ্জ থানার কালীবাড়ি এলাকার লতিফুর রহমান অন্তর। এছাড়াও খোর্দ সাপটানার সিফাত ও সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. মোতালেব খন্দকার বিশেষ অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন জানান, ছাত্রলীগের মিছিল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পুলিশের কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ ও ডিবি বাহিনী যৌথ অভিযানে মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এ অভিযানে কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সদর থানার আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে সামিল হয়েছেন সদর থানার কালীবাড়ি এলাকার ছাত্রলীগের কর্মী লতিফুর রহমান অন্তর এবং আদিতমারী থানার ভাদাই ইউনিয়নের নজরুল ইসলাম। গ্রেফতারদের মধ্যে ছাত্রলীগের প্রতিবাদী কর্মীদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন যে লালমনিরহাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম কঠোর পদক্ষেপে অব্যাহত থাকবে। ছাত্রলীগের মিছিলের পর সামগ্রিক শান্তির বিস্তার করার জন্য বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। জেলায় আইন প্রতিষ্ঠা ও গোটামুঠো শান্তি বজায় রাখার জন্য বিশেষ করে লালমনিরহাট এলাকায় পুলিশ নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করেছে।
জেলার সার্বিক শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ করেছে যে ছাত্রলীগের প্রকাশ্য মিছিল থেকে সামগ্রিক অপরাধ কমিয়ে আনতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে সামিল হয়েছে পাঁচটি থানা ও ডিবি বাহিনী। ছাত্রলীগের মিছিলের পর এ বিশেষ অভিযান জেলার বিভিন্ন এলাকায় জারি করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নে