ওমানে নিখোঁজ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের চারদিন পর মিললো গলিত লাশ
ওম ন ন খ জ কনট ন – ওমানে গুরুতর ঘটনার ঘটনাস্থলে সোহার সিটির মর্মে গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সংঘটিত হয়েছে চার দিন পূর্বে, যখন ওমানপ্রবাসী তরুণ ব্যবসায়ী মিজান বাসা থেকে বের হন প্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছিলেন। তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ২০ লাখের বেশি। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার বিপি দাউদপুর গ্রামে। তিনি আবদুল জব্বারের ছেলে এবং তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। তার স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের রেখে গেছেন তিনি। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করতে আরও তদন্ত চালু রয়েছে রয়েল ওমান পুলিশ।
গলিত লাশের প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে
সোমবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে সোহারের লুলু হাইপারমার্কেটের পার্কিং এলাকায় স্থানীয় একজন ওমানি নাগরিক একটি গাড়িতে গলিত মরদেহ দেখে। স্থানীয় কর্মচারীদের কিছু সময় পর পুলিশের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার পর ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তদন্ত প্রারম্ভ করা হয়েছে কারণ জানা যায় না মিজানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। তাঁর চারদিন ধরে অপসারণ করা হয়নি বাড়ি থেকে চারদিকে সন্ধান চালিয়েছেন স্বজন এবং পরিচিত জন।
নিখোঁজ ব্যক্তির পরিচয় ও সামাজিক চৌকির চৌরঙ্গ
মিজান কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তাঁর চৌকির চৌরঙ্গ সংখ্যায় তিনি ছিলেন বিশাল আকর্ষণ। এর আগে কিছুদিন আগে তার একমাত্র শিশু সন্তান মৃত্যুবরণ করে। পরিবারে শোকের ছায়া ছিল অবিলম্বে। তাঁর স্বামী এবং স্ত্রী তাঁকে আগে থেকে অপেক্ষা করছিলেন। এখন তাঁদের একটি ছোট ছেলে হারিয়ে গেছে এবং তিনি স্বাক্ষর করেন স্বাস্থ্যের বেশি এক গুরুতর ক্ষতি।
মিজানের কনটেন্ট ক্রিয়েটিং প্রক্রিয়াটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক দর্শক আকর্ষণ করেছিল। তিনি একটি আইসক্রিম দোকান চালান সোহার ইউনিভার্সিটি সংলগ্ন এলাকায়। যাইহোক, দুপুরে গেলে তিনি বাসা থেকে বের হন মালামাল কিনতে। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে আর ফিরে আসেননি। তাঁর বন্ধু ইকবাল জানান, তিনি আগে থেকে স্থানীয় সম্প্রদায়ে জনপ্রিয় ছিলেন। কিন্তু পরিবারে মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তাঁদের খুব দুঃখ হয়।
রয়েল ওমান পুলিশ দ্বারা স্থানীয় কর্মচারীদের কিছু সময় পর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখন তাঁর গাড়িতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বার করতে তদন্ত চালু রয়েছে। প্রাথমিক ধারণা হয়েছে যে গাড়ির ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাব