ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের দামে ফিরছে তেল?
ইর ন য দ ধ শ র – যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে শান্তির আভাস দেখা দেওয়ার পর বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দামে ব্যাপক কমিশন হয়েছে। গত তিন মাসে তেলের দাম সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ০৫ ডলার বা ৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমে ৮৭ দশমিক ৩৩ ডলারে নেমেছে। গত মার্চ মাসের শুরুর পর এটি সর্বনিম্ন দাম হিসেবে রেকর্ড হয়নি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ৮৩ ডলার বা ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ কমে ৮৪ দশমিক ৮৮ ডলারে নেমেছে। এটি গত ১৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পশ্চিমা একটি কূটনৈতিক সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী রোববারই একটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম শোনা যাচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার ঘোষণা করেছেন যে সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়নি এবং শর্তগুলোতে পরিবর্তন ঘটতে পারে।
এগেইন ক্যাপিটালের পার্টনার জন কিলডাফ বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে সমঝোতা স্মারকের আভাস পাওয়ার পর থেকেই বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে বাজারে সরবরাহ ঘাটতি এড়াতে এই চুক্তির কোনো বিকল্প ছিল না।
পিভিএম অয়েল অ্যাসোসিয়েটসের বিশ্লেষক তামাস ভার্গা বলেন, চুক্তি সই এবং হরমুজ প্রণালি আবার খুলে যাওয়ার ব্যাপারে বাজারে আস্থা বাড়ছে। এই খবরের ওপর ভিত্তি করেই তেলের বাজার নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে।
তবে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বহুজাতিক ব্যাংক আইএনজি (ING)-এর বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন যে জুলাইয়ের শেষের দিকে বাজার একটি চূড়ান্ত রূপ নিতে পারে। যদি তার আগে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তবে মজুত সংকট এবং মৌসুমী চাহিদার কারণে দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে উঠে যেতে পারে।
গত বৃহস্পতিবার ইরান হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছিল যে কোনো জাহাজ সেখান দিয়