তিস্তা ও জলঢাকার পানি বিপৎসীমার ওপর চলছে, লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে
ভ র ব ষ ট ত ত – ভারী বৃষ্টির ফলে উত্তরাঞ্চলে অবিরাম পানি ঢাকনা দ্বারা জলঢাকা ও তিস্তা নদী বিপর্যয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলার কিছু অঞ্চলে আবহাওয়া শান্তি বজায় রাখতে পারেনি। জলঢাকা নদী যে ক্ষেত্রে মারাত্মক পানি ঢাকনা দ্বারা সামান্য না হয়ে বিপ্লবে পৌঁছে গেছে, সে কারণে ভারী বৃষ্টির মারাত্মক প্রভাব দেখা দিয়েছে। ধূপগুড়ি ব্লকের বাসিন্দারা কাছাকাছি পানির বৃদ্ধি নিয়ে আতঙ্কিত হয়েছেন। তিস্তা নদী পাড়ের সমস্ত এলাকাগুলোতে ভারী বৃষ্টির প্রতিক্রিয়া প্রভাব নিয়ে চিন্তা চলছে।
জলঢাকা ও তিস্তা নদীর পানি উত্তরবঙ্গে বিপর্যয় বাড়ছে
ভারী বৃষ্টির কারণে নদীগুলো সামান্য কিছু থেকে মারাত্মক পরিমাণ পানি উপচে আসছে। জলঢাকা নদীর কাছাকাছি প্রায় আট ঘন্টার মধ্যে উচ্চতর পানির পরিমাণ নিয়ে চিন্তা চলছে। এ কারণে প্রতিবেশী এলাকাগুলোতে স্থানীয় স্বাস্থ্য ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। উত্তর ভাগের প্রধান সড়কে ঝোড়ো পানি দ্বারা যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে আলিপুরদুয়ার চর অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির ফলে নদী স্রোত বাড়ছে এবং তীব্র পানি ঢাকনার কারণে সেখানে বিপর্যয় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রশাসন ভারী বৃষ্টি কারণে বিপর্যয় পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করছে। উদ্যোগে জেসিবি মেশিন ব্যবহার করে পানি দূরে সরানো হচ্ছে। আবহাওয়া পরিবেশ সংক্রান্ত ঘোষণা করে বাসিন্দাদের কাছে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টির প্রতিক্রিয়া নিয়ে সবার সতর্ক থাকার জন্য প্রশাসন যথাসাধ্য ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা চলছে।
বিপর্যয় পরিস্থিতি কার্যকরী প্রতিক্রিয়া নিয়ে চলছে
ভারী বৃষ্টি কারণে উত্তরবঙ্গের কিছু অঞ্চলে সড়ক গ্রাস করছে। পাহাড়ি ঢল ও জলঢাকা নদী পাড়ের সামনে চালানো গাড়ি ও বাসের মধ্যে সমস্যা দেখা দিয়েছে। সমস্ত পরিস্থিতি কার্যকরী প্রতিক্রিয়া করতে প্রশাসন ব্যস্ত আছে। কিছু অঞ্চলে জলঢাকা নদীর পানি প্লাবিত হয়ে গেছে। এ কারণে সাধারণ মানুষের জীবন ও জীবনযাপনে ব্যাঘাত হয়েছে।
ভারী বৃষ্টির ফলে বিপর্যয় সামান্য না হয়ে বিপাকে পৌঁছে গেছে। তিস্তা নদী ও জলঢাকা নদী পাড়ের সমস্ত এলাকাগুলোতে পানি উপচে পড়ছে। বিশেষ করে আলিপুরদুয়ারে ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির কারণে সড়ক গ্রাস করে পানি ঢাকনা হ