নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলে নিখোঁজ
ন ফ নদ ত ম ছ ধরত – নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেল একজন জেলে। কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকার নাফ নদীতে ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যার পর ঘটেছিল বলে জানা গেছে। বিষয়টি বিজিবিকে অবহিত করা হয়েছিল এবং এখন তদন্ন চলছে। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে এবং সিকান্দার আলী নামে এই জেলে বর্তমানে কোথাও নেই। নাফ নদী তাদের জনপ্রিয় স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল কারণ এখানে মাছ ধরার সুবিধা ছিল এবং এটি এলাকার লোকেদের জন্য একটি স্থানীয় পরিবহনের কেন্দ্র।
নিখোঁজ জেলের পরিচয় এবং ঘটনার প্রাথমিক বিবরণ
সিকান্দার আলী টেকনাফের হোয়াইক্যং খারাংগ্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং মকবুল হোসেনের ছেলে। তাঁর ভাই মুফতি ওমর ফারুক জানান যে সিকান্দার আলী নাফ নদীতে মাছ ধরতে যান এবং ওই এলাকায় গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে তিনি জানতে পেরেছিলেন। তবে তাঁকে কীভাবে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী ধরে নিয়ে গেছে বা হত্যা করেছে তা স্পষ্ট জানা যায়নি। ঘটনার পর থেকে তাঁর পরিবার এবং স্থানীয় মানুষ কী করছেন তা পরিচিতি দেওয়া হয়েছে।
নিখোঁজ জেলের ভাই মুফতি ওমর ফারুক বলেন, “সে নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলো, ওই এলাকায় গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে জানতে পেরেছি। তবে আমার ভাইকে মিয়ানমারের সশস্ত্র কোনো বাহিনী ধরে নিয়ে গেছে নাকি হত্যা করেছে তা নির্দিষ্ট ভাবে জানাতে পারিনি। বিষয়টি বিজিবিকে জানিয়েছি এবং এখন তদন্ন চলছে।”
ঘটনার পর স্থানীয় মানুষ আশংকা করছেন যে নাফ নদীর নিকটে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী আগ্রাসী কাজ করছে। কয়েক দিনের মধ্যে তাদের পরিচিতি বিশদ করে তুলা হয়েছে। তিনি একজন যুবক ছিলেন যার বয়স আনুমানিক ২২ বছর। ঘটনার সময় সে একা ছিলেন এবং মাছ ধরার জন্য তাঁর একটি লাল বার্মি নৌকা ছিল। তাঁকে পরিচিত করেছেন কোন স্থানীয় ব্যক্তি বা বাহিনী সম্পর্কে কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া এবং তদন্ন
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবির) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান যে সিকান্দার আলী মাছ ধরতে যাওয়ার সময় আমাদেরকে অবগত করেনি। তবে তাঁর পরিচয় অনুসন্ধান করা হচ্ছে। নাফ নদী তাদের জনপ্রিয় স্থান ছিল কারণ এখানে পরিবার ছাড়া ব্যক্তিগত আবাসনের সুবিধা রয়েছে এবং এটি এলাকার মানুষের জন্য একটি স্থানীয় আরামের স্থান। এখন বিজিবি ঘটনার প্রতিক্রিয়া খুঁজছে এবং নিখোঁজ জেলেকে খুঁজতে সংগ্রাম চলছে।
নাফ নদী তাদের কাছে স্থানীয় এলাকার একটি মূল্যবান সম্পদ ছিল। ঘটনার পর স্থানীয় মানুষ বলছেন যে তাদের সশস্ত্র বাহিনী এই এলাকায় কোন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। তাঁদের মনে হচ্ছে নাফ নদী একটি আশেপাশে স্থান কিন্তু ঘটনার সত্যতা আবিষ্কার করা হয়নি। ঘটনার পর পরিবার এবং স্থানীয় ব