শেয়ারবাজারে বাজেটের আগে অস্থিরতার বৃদ্ধি
ব জ ট র আগ শ য় – শেয়ারবাজারে লেনদেন স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে না, প্রতিদিন নতুন বদল হচ্ছে। বড় উত্থান এরপর ঢালাও দরপতন ঘটছে, তারপর আবার উত্থান হচ্ছে। এই প্রবণতা শেয়ারবাজারে বাজেটের আগে চলছে। আগামীকাল শেয়ারবাজারে এবং নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই বাজেটের আগে দুই বাজারে প্রধান মূল্যসূচক কমে গেছে।
লেনদেনের পরিমাণ কমে গেছে
বুধবার (১০ জুন) বাজারে দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান। এই পরিবর্তনের ফলে দুই বাজারে প্রধান মূল্যসূচক কমে গেছে। ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২১০ কোটি ৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ফলে আগের দিনের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১৭৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
দাম বৃদ্ধি ও হ্রাসের প্রতিষ্ঠানগুলো
ডিএসইতে সবচেয়ে বড় পরিমাণে লেনদেন হয়েছে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ার। এই কোম্পানির ২৭ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি হয়েছে। তার পর সামিট এলায়েন্স পোর্ট দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা। তৃতীয় স্থানে এনসিসি ব্যাংক রয়েছে যেখানে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
ডিএসই প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় দশমিক শূন্য ৫ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ২ হাজার ৮০ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অন্যদিকে ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমে না, বরং ২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ১১৪ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
সিএসইতে সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৭৩ পয়েন্ট। বাজারে ২৩৭ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যেখানে ১০৮টির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৯৯টির দাম কমেছে। এ বাজারে লেনদেনের পরিমাণ হয়েছে ২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের কার্য