সঞ্চয়পত্রের মুনাফার উপর কর বেশি কাটলে ফেরত পাবেন গ্রাহক, রিটার্নেও মিলবে করছাড়
নতুন বাজেটে পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে কর আদায়ের পদ্ধতির ওপর
সঞ চয়পত র উৎস কর ব শ – ২০২৬-২৭ নতুন অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কর কেটে রাখা হবে যাচ্ছে। বছর শেষে মুনাফার করের সমন্বয় করা যাবে যাচ্ছে। যদি করদাতার প্রযোজ্য করের চেয়ে বেশি কর কেটে রাখা হয়, তাহলে ফেরত বা রিফান্ড পাওয়া সম্ভব হবে।
অর্থকর আইন অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর কেটে রাখা হয়েছে যাচ্ছে। বছরের শেষ পর্যন্ত কর সমন্বয় করা যাবে। উৎসে কর আগে চূড়ান্ত কর হিসাবে গণ্য হওয়ায় অতিরিক্ত টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না। এখন এটি অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য হবে। ফলে করদাতার প্রকৃত করের পরিমাণ কমে আসবে।
“সঞ্চয়পত্রের করহার বাড়ার বিষয়টি সঠিক নয়। আইন অনুযায়ী বর্তমানে উৎসে কর ১০ শতাংশই রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ১০ শতাংশ থাকবে। পরিবর্তন এসেছে কর আদায়ের পদ্ধতিতে।” — কর বিশেষজ্ঞ স্নেহাশীষ বড়ুয়া
নতুন ব্যবস্থায় কর ফেরতের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হবে। আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় সিস্টেম যদি করদাতার রিফান্ড প্রাপ্য হয়, তাহলে একটি ফর্ম স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করবে। করদাতা তার ব্যাংক হিসাবসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে ফর্মটি জমা দিতে হবে। এরপর সিস্টেম তথ্য যাচাই করবে এবং আবেদন জমা দেওয়ার দিন থেকে সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে অর্থ সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
কর রিটার্ন সময়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে সময়মত আবেদনের জন্য
বছরের শেষ পর্যন্ত কর রিটার্ন জমা দিলে কর দাঁড়ায় যে পরিমাণ তার ওপর ছাড় পাওয়া সম্ভব। আয়কর আইন অনুযায়ী, এ বছরের জন্য রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রয়েছে সারাবছর। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে আবেদন করলে করছাড়ের প্রণোদনাও মিলবে।
১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিলে করের ওপর ৫ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে। তবে এ ছাড়ের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে কোনো ছাড় বা জরিমানা থাকবে না। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত আবেদন করলে জরিমানা হবে করের ২ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা। ১ এপ্রিল থেকে ৩�