সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় করহার বাড়েনি, বরং ছোট বিনিয়োগকারীদের সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে
সঞ চয়পত র র ম ন ফ – বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কর দ্বিগুণ করার আলোচনা ও বিভ্রান্তির মধ্যে কর বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সরকার করহার বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব দিয়েছেন না। প্রস্তাবিত অর্থ বিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা হয়েছে যা স্বল্প আয়ের করদাতাদের উপকৃত করেছে।
২০২৩ সালের আয়কর আইন অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কেটে রাখা ১০ শতাংশ করই চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হতো। ফলে করদাতাদের মোট আয়ের বিপরীতে অতিরিক্ত কর দিতে হতো না। আগামী অর্থবছরে এই পরিবর্তনের ফলে সঞ্চয়পত্রে প্রাপ্ত মুনাফা করদাতার মোট করযোগ্য আয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং ব্যক্তিগত আয়কর স্ল্যাব অনুযায়ী চূড়ান্ত কর নির্ধারণ করা হবে।
সরকার করের হার বাড়াচ্ছে না, বরং সঞ্চয়পত্রের আয়কে সাধারণ আয়কর ব্যবস্থার আওতায় আনছে। প্রস্তাবিত অর্থ বিলে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর বর্তমানে চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচিত হবে না, বরং অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য হবে। এ পরিবর্তনের সাথে করহার ১০ শতাংশ বহাল রাখা হয়েছে।
“সঞ্চয়পত্রের করহার বাড়ার বিষয়টি সত্য নয়। আইন অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রের উৎসে করহার বর্তমানে ১০ শতাংশ রয়েছে, আগামীতেও ১০ শতাংশই থাকবে। সুতরাং করহার পরিবর্তনের কোনো প্রস্তাব করা হয়নি,” বলে কর বিশেষজ্ঞ স্নেহাশীষ বড়ুয়া জাগো নিউজকে জানান।
পূর্বে সঞ্চয়পত্রে যে কোনো বিনিয়োগে ১০ শতাংশ উৎসে কর নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে ২০১৯ সালে পাঁচ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে ৫ শতাংশ কর কমিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আইন অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রের উৎসে করহার বর্তমানে ১০ শতাংশ বহাল রয়েছে।
২০২৩ সালের ২২ জুন প্রকাশিত গেজেটে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর কর বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়। পরিবর্তনের কারণে বিনিয়োগকারীদের কর দায় কমিয়ে আনা হয়েছে। যাদের মোট আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে থাকবে বা যাদের কার্যকর করহার ১০ শতাংশের কম, তারা উৎসে কাটা কর সমন্বয় বা ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে এই পরিবর্তন স্বল্প আয়ের করদাতাদের সুবিধা প্রদান করে। অন্যদিকে উচ্চ আয়ের করদাতাদের কর দায় বাড়তে পারে। সঞ্চয়পত্রের উৎসে কাটা ১০ শতাংশ কর আগে চূড়ান্ত কর হিসেবে গণ্য হতো, এখন এটি অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য হবে। করদাতার মোট করযোগ্য আয়ে এটি যুক্ত হবে এবং তাদে