News

তুরস্কের ড্রোন বিপ্লব: ছোট ঘর থেকে বিশ্বজয়ের গল্প বায়রাক্তারের

তুরস্কের ড্রোন বিপ্লব: ছোট ঘর থেকে বিশ্বজয়ের গল্প বায়রাক্তারের ত রস ক র ড র ন - বিশ্ব যুদ্ধের সমীকরণ পরিবর্তন করেছে এক অসাধারণ প্রযুক্তির প্রভাব। ড্রোন নামে

Desk News
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

তুরস্কের ড্রোন বিপ্লব: ছোট ঘর থেকে বিশ্বজয়ের গল্প বায়রাক্তারের

ত রস ক র ড র ন – বিশ্ব যুদ্ধের সমীকরণ পরিবর্তন করেছে এক অসাধারণ প্রযুক্তির প্রভাব। ড্রোন নামে পরিচিত এই নতুন আবিষ্কার কোনো ক্ষেত্রে আকাশে রাজত্ব করছে যেখানেই সামরিক বিপ্লব ঘটেছে। আজ ইউক্রেন থেকে লিবিয়ার মরুভূমি পর্যন্ত যেখানে এই ড্রোন দ্বারা রণক্ষেত্রে বিশ্বজয়ের রাজনীতি নির্ধারিত হচ্ছে, সেখানে এক নাম অপরিহার্য হয়ে উঠেছে: ওজদেমির বায়রাক্তার।

সূত্রে নির্ভরশীলতা থেকে স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি

১৯৪৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ইস্তাম্বুলের সারিয়ে জেলার গারিপচে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ওজদেমির বায়রাক্তার। তার বাবা ছিলেন মৎস্য কর্মী, কিন্তু তিনি থেকেই সম্ভবত মেশিনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ১২ বছর বয়সে ক্ষতবিক্ষত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলি কুড়িয়ে নিজ ঘরে রেডিও তৈরি করে সবাইকে তার কাছে আকৃষ্ট করেছিলেন।

বায়রাক্তারের ছবি: বায়কার

১৯৬৭ সালে ইস্তাম্বুল টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ইঞ্জিন নিয়ে উচ্চতর গবেষণা করেন। এই জ্ঞানের প্রতি তার প্রতিষ্ঠা এমন কূটনীতিক বা সেনাপ্রধান নন; তিনি সরল প্রতিজ্ঞা ব্যক্তিত্ব। তার স্বপ্ন ছিল তুরস্কের নিজস্ব শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।

বায়রাক্তারের ছবি: বায়কার

২০০০ সালের শুরুতে তুরস্ক ড্রোন প্রযুক্তির জন্য মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ওপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু তিনি জানতেন ভবিষ্যতে যুদ্ধ আকাশে ঘটবে এবং ড্রোন বিপ্লব ঘটাতে সমর্থ হবে। তার তিন ছেলে—হালুক, সেলচুক এবং আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সরাসরি ড্রোন বিপ্লব গড়ে তুলতে চেষ্টা করেন।

বিশ্বের সর্বাধিক ড্রোন পরাশক্তি গঠনের পথ ঘুরিয়েছিলেন তিনি

বিশ্ব রণাঙ্গনের নতুন বিপ্লব গড়ে উঠার জন্য ওজদেমির বায়রাক্তার ইস্তাম্বুলের এক ছোট কর্মশালায় তুরস্কের প্রথম স্বতন্ত্র ড্রোন নির্মাণ শুরু করেন। তার কোম্পানি ছিল বায়রাক্তার মেশিনারি, যা মাত্র একটি বৈদুতিক ড্রিল মেশিন থেকে শুরু হয়। আদৌ কোনো বিশাল কারখানা বা সরকারি অনুদান ছিল না।

তার ছেলে সেলচুক বায়রাক্তার মিত্র হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি থেকে ড্রোন প্রযুক্তির উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। বাবার সঙ্গে তিনি সামান্য বেসামরিক অনুসন্ধানে এক গুরুতর বিষয়ে গবেষণা চালিয

Leave a Comment