আইফোন ব্যবহারে কমছে যৌন আকাঙ্ক্ষা
আইফ ন ব যবহ র কমছ য – স্মার্টফোন সম্প্রসারণ মানুষের সামাজিক আচরণ বদলে দিয়েছে। যোগাযোগ, বিনোদন এবং সংবাদ সবকিছু এখন হাতের মুঠোয় উপলব্ধ। তবে প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে সামগ্রিকভাবে জনসংখ্যা হ্রাসের সম্পর্কে একটি আবিষ্কার করা হয়েছে। গবেষণা দেখায় আইফোন এবং স্মার্টফোন ব্যবহার কিশোরী জন্মহার কমেছে বলে ধারণা।
আমেরিকায় জন্মহার দুই দশকের মতো কমছে। ১৯৮০ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত প্রতি হাজার নারীর মধ্যে গড়ে ৬৫ থেকে ৭০টি জন্ম নিবন্ধিত হতো। কিন্তু ২০০৭ এর পর থেকে সেই হার কমে প্রায় ৫৪-এ নেমে এসেছে। সেই হ্রাস বেশি কমেছে যেসব এলাকায় আইফোন অ্যান্ড টি নেটওয়ার্কের কভারেজ ছিল না। পরিসংখ্যান দেখায় সেখানে কিশোরী সন্তান জন্মদানের হার ১৩.৮ শতাংশ কমেছে। আংশিক কভারেজের ক্ষেত্রে এই হার কমে ১৮.৯ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক কভারেজযুক্ত অঞ্চলে হার কমে প্রায় ২৬ শতাংশ পর্যন্ত।
ফোন দ্বারা সময় ব্যয় করছে বন্ধুদের সঙ্গে
গবেষকদের মতে আইফোন ব্যবহারকারীদের সামাজিক সময়ের পরিবর্তে বেশি আকর্ষণ দেয়। এটি দেখায় রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্বামী-স্ত্রী প্রতিদিন বিভিন্ন কিছুতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে পরস্পরের সঙ্গে সময় কাটানোর আগ্রহ কমে যায়। তাদের সূত্রে সম্প্রতি যৌন সম্পর্কে ইতি ঘটছে।
আমেরিকার ‘ন্যাশনাল ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চ’ গবেষণায় দেখা গেছে আইফোন ব্যবহার বৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলে অনলাইন বিনোদন বৃদ্ধি পেয়েছে। গুগলে ‘পর্ন’ শব্দে অনুসন্ধানের হার দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল।
গবেষণার পরিচালকদের মতে স্মার্টফোন দ্বারা বাস্তব সামাজিক যোগাযোগের জায়গা যত বেশি ভার্চুয়াল যোগাযোগ দখল করছে, তার প্রভাব ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও জন্মহারের ওপর পড়ছে। গবেষকরা সরাসরি আইফোনকে দায়ী করছেন না, তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন প্রযুক্তি নির্ভর জীবনযাপন আধুনিক সমাজে জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠছে।
একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে ইউনিভার্সিটি অব সিনসিনাটির অর্থনীতিবিদদের পরিচালিত গবেষণায়। তারা বিশ্বব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে ১২৮টি দেশের স্মার্টফোন ব্যবহার ও কিশোরী জন্মহারের সম্পর্ক খতিয়ে দেখেছেন। স্বাস্থ্যব্যবস্থা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা গর্ভপাত আইনের পার্থক্য সত্ত্বেও বিভিন্ন দেশে একই সময়ে জন্মহার কমার প্রবণতা দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন হয়েছে। ২০০৩ সালে গড়ে ৬৮ মিনিট সরাসরি বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতেন মানুষ। কিন্তু ২০১৯ সালে সেই সময় কমে মাত্র ৩৮ মিনিটে পৌঁছেছে। ত