সীমান্ত অতিক্রমে তিন দেশের ৪৯০ নাগরিক আটক
বাংলাদেশ সীমান্ত পুলিশের বিস্তারিত প্রতিবেদন
এক ম স স ম ন ত – এক মাসে সীমান্তে তিন দেশের মোট ৪৯০ জন নাগরিককে আটক করা হয়েছে। এই অভিযানের পরিণতি দেখিয়ে বাংলাদেশ সীমান্ত পুলিশ (বিজিবি) বলেছে যে এই সংখ্যা একটি বৃহৎ অপরাধ বিরোধী ক্রমবর্ধমান অভিযানের ফল। আটকের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকদের সংখ্যা ছিল ৯২ জন, ভারতীয় ও মিয়ানমারী নাগরিকদের সংখ্যা যথাক্রমে ৬ ও ৩৯২ জন। এই অপসারণের প্রক্রিয়া কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে সীমান্ত অতিক্রম করে স্থানীয় বাজারে অভিযোগ আটকে বিভিন্ন ধরনের মাদকপাচার ও চোরাচালানে জড়িত ছিল। এই অভিযানটি চলতি বছরের মে মাসে সংঘটিত হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হয়েছে। বিজিবির একটি সূত্র অনুসারে, এই আটক করা হয়েছে কারণ তারা অপরাধ বিরোধী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সীমান্ত প্রদেশে জড়িত ছিল।
অপসারণ কার্যক্রমের চূড়ান্ত ফলাফল
বিজিবি তাদের অপসারণ কার্যক্রমের চূড়ান্ত ফলাফল সম্পর্কে জানায় যে গত মে মাসে এক মাসে সীমান্তে অপসারণ করা নাগরিকদের মধ্যে মোট ১৮৮ জন চোরাকারবারি আটক করা হয়েছে। এই কার্যক্রমে সীমান্ত পুলিশ অনুসন্ধান করে বিভিন্ন প্রকার মাদকপাচার ও অন্যান্য ধরনের চোরাচালান পণ্য জব্দ করে তাদের সম্প্রসারণে বৃদ্ধি হয়েছে। জব্দকৃত পণ্যগুলির মূল্য ১৭৭ কোটি ৭৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। সীমান্ত এলাকার মাধ্যমে প্রতিদিনের ক্রমবর্ধমান অপসারণে এই সংখ্যা স্থানীয় সরকার কর্তৃক বিস্তারিত করা হয়েছে।
চোরাচালান ও মাদকপাচারের ক্ষেত্রে কী প্রকারের সরবরাহ হয়েছে?
এই এক মাসে সীমান্তে আটক করা নাগরিকদের মধ্যে মিয়ানমার নাগরিকদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে মোট ৩৯২ জন মিয়ানমারী চোরাকারবারি আটক করা হয়েছে। বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করেছে এবং তাদের চোরাচালানে যুক্ত হিসেবে তাদের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এই অপসারণ কার্যক্রমে চোরাকারবারি এবং মাদকপাচার সংখ্যা সাধারণ