শায়খ আহমাদুল্লাহ / রাগের মাথায় ভুল থেকে বাঁচার উপায়
শ য়খ আহম দ ল ল হ – অপরপক্ষের প্রতি অপরাধ করা হলে ক্রুদ্ধ হয়ে বিবাদ করা দুঃসাহসী হয়ে ওঠে, এই ধরনের অবস্থায় বিশেষ করে প্রতিকূল পরিবেশে সংযম বজায় রাখা কঠিন। নিয়মিত ধর্মীয় কাজে ব্যস্ত হওয়া সত্ত্বেও মানুষ কখনও কখনও আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়। এই পরিস্থিতি প্রতিকূল হলে সিদ্ধান্ত নিতে বিশেষ সতর্কতা দরকার হয়।
জীবনে অনেক সময় দেখা যায়, এমন সময় আসে যখন কেউ অপরের বিরুদ্ধে ঝগড়া বা উসকানি দিয়ে সম্পূর্ণ পরিবেশ ক্রোধের সৃষ্টি করে। সেই সময় নিজেকে শান্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি হয়। শয়তান প্রতিশোধ নিয়ে আপনাকে চালায় এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাদা ছোড়াছুড়িতে লিপ্ত না হয়ে নীরবতা বজায় রাখা বুদ্ধিমানের অপরাজেয় উপায়। এই ধরনের সময়ে কেবল সংযম দেখানোই যথেষ্ট হতে পারে।
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের মধ্যভাগে একটি প্রাসাদের দায়িত্ব নিচ্ছি, যে ন্যায়ের ওপর থাকা সত্ত্বেও বিবাদ পরিহার করে।’
যদি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাতে হয়, তবে সেটি কেবল আত্মরক্ষার জন্য এবং সুখের উদ্দেশ্যে হওয়া উচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কোনো পোস্টের বক্তব্য নিজের মত সঙ্গে মিলতে না পেলে মুচকি হেসে এড়িয়ে যাওয়া বা কমেন্টবক্সে বিতর্ক করার পরিবর্তে নীরবতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাস্তব জীবনে এবং সামাজিক যোগাযোগে সংযমের প্রয়োগ সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটি। জান্নাতের চিরস্থায়ী প্রাসাদ সম্পর্কে বিশ্বাস করা মানুষকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য যুক্তি দেখানো এবং দুঃসাহস করার স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করে। মূর্খদের সামনে শয়তানের ফাঁদ সাজানো হয়, এটি এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের প্রধান কাজ।
সামাজিক মাধ্যমের বিতর্কে ক্রোধ বা অপরাধের প্রবণতা আসতে পারে। এ সময় অপরের বিরুদ্ধে বিবাদ করা অপেক্ষাকৃত সহজ। কিন্তু প্রতিকূল পরিবেশে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং কাজ করার দুঃসাহস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দুনিয়ার সম্পত্তি এবং সুবিধা প্রাপ্তির পরিবর্তে আত্মনিয়