Religion

নবীজির (সা.) শেষ জান্নাতুল বাকি জিয়ারত, কী ঘটেছিল সেই রাতে?

নবীজির (সা.) শেষ জান্নাতুল বাকি জিয়ারত নব জ র স শ ষ জ - আবু মুওয়াইহিবা (রা.) ছিলেন নবীজি (সা.) কর্তৃক মুক্ত করা হয়েছিল একজন বন্দী মুক্তদাস। তাঁকে মদিনায়

Desk Religion
Published June 9, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
cc5b4df3-465d-49fb-be70-c6ebc319dd04-0
Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

নবীজির (সা.) শেষ জান্নাতুল বাকি জিয়ারত

Bangladailypost.com – নব জ র স শ ষ জ – আবু মুওয়াইহিবা (রা.) ছিলেন নবীজি (সা.) কর্তৃক মুক্ত করা হয়েছিল একজন বন্দী মুক্তদাস। তাঁকে মদিনায় আনা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তী সময়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে মুক্ত করেন এবং আহলুস সুফফা গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত করেন। আহলুস সুফফার সদস্যদের মতো তিনি মসজিদে নববি ভাবে বাস করতেন এবং কোরআন, হাদিস এবং ঈসামের বিধি-বিধান শিখতেন।

বনু মুস্তালিকের যুদ্ধ ও জান্নাতুল বাকির কবরবাসীদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা

পঞ্চম হিজরিতে সংঘটিত বনু মুস্তালিকের যুদ্ধে আবু মুওয়াইহিবা (রা.) অংশ গ্রহণ করেছিলেন। এ যুদ্ধ সেই ঐতিহাসিক সংঘটনের নাম, যে যুদ্ধে উম্মুল মুমিনীন আয়েশার (রা.) বিরুদ্ধে মুনাফিকদের অপবাদ রটনা করা হয়। আয়েশার (রা.) উপস্থাপনা অনুযায়ী তিনি সে সময় তার উটের চালক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। অর্থাৎ আয়েশার (রা.) উটের দেখাশোনা এবং চালনার দায়িত্ব তাঁর উপর ছিল।

নবীজি (সা.) অন্তিম অসুস্থতার আগের রাতে আবু মুওয়াইহিবাকে (রা.) সঙ্গে নিয়ে জান্নাতুল বাকি গ্রামে যান। কবরবাসীদের কাছে পৌঁছার পর তিনি বলেন: “কবরবাসীগণ! আপনাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক। মানুষ যে ফেতনায় পড়তে যাচ্ছে তার তুলনায় আপনারা যে অবস্থায় আছেন তা আপনাদের জন্য কতই না সৌভাগ্যের! যদি আপনারা জানতেন আল্লাহ আপনাদের কী ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে বাঁচিয়েছেন! অন্ধকার রাতের মতো ফেতনা ধেয়ে আসছে। একটির পেছনেই আরেকটি আসছে। পরবর্তী প্রতিটি ফেতনা আগেরটির চেয়ে আরও বেশি অন্ধকার ও ভয়াবহ হবে!”

তারপর নবীজি (সা.) আবু মুওয়াইহিবার (রা.) দিকে ফিরে বলেন: “আমাকে দুনিয়ার ধনভাণ্ডারের চাবিগুচ্ছ, দুনিয়াতে চিরস্থায়িত্ব এবং জান্নাত গ্রহণ করুন।” আবু মুওয়াইহিবা (রা.) বলেন, “আমি বললাম, আমার বাবা-মা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোন। হে আল্লাহর রাসুল! আপনি দুনিয়ার ধনভাণ্ডারের চাবিগুচ্ছ, দুনিয়াতে চিরকাল থাকার সুযোগ ও জান্নাত গ্রহণ করুন।”

“আল্লাহর কসম, না, হে আবু মুওয়াইহিবা! বরং আমি আমার রবের সাক্ষাতই বেছে নিয়েছি।”

এরপর আবু মুওয়াইহিবার (রা.) বর্ণিত ঘটনা থেকে আমরা দুটি শিক্ষা পাই: রাসুলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দীর্ঘ জীবন, পৃথিবীর রাজত্ব ও ধন-ভাণ্ডারের সাথে আল্লাহর সাক্ষাত বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। আবু মুওয়াইহিবা (রা.) ছিলেন সাধারণ মুক্তদাস যাঁদে

Leave a Comment