এখন কি বলতে পারবো উনি ঋণ খেলাপি: আসলাম চৌধুরীকে নিয়ে জামায়াতের এমপি
এখন ক বলত প রব উন ঋণ – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৯তম দিন মঙ্গলবার (৩০ জুন) পয়েন্ট অব অর্ডারে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. নাজিবুর রহমান আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি তীব্র ভাষায় জানান, ঋণখেলাপির দায়ে একজন ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এবং এখন কি বলতে পারবো উনি ঋণ খেলাপি ছিলেন কি না? এই প্রশ্ন তাঁর স্পষ্ট প্রতিবাদের মাধ্যমে উঠে এসেছে সংসদে।
আদালতের রায় বাজেট অধিবেশনের জন্য অপেক্ষাকৃত আলোচিত হয়েছে
যেহেতু আদালতে ঋণখেলাপির দায়ে একজন সংসদ সদস্যের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, এখন কি বলা যাবে উনি ঋণ খেলাপি ছিলেন কি না? গত ১৮ জুন সংসদে বিতর্ক সৃষ্টি করেছিলেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। স্পিকার আদালতে বিচারাধীন বিষয় উল্লেখ করে রুলিং দিয়ে বলেন, যে ব্যক্তি এখানে অনুপস্থিত, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নেই, কথা বলার সুযোগ নেই এবং পয়েন্ট অব অর্ডার হয় না।
পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, এটা পয়েন্ট অব অর্ডার হয়নি। সদস্যের পদ থাকবে কি থাকবে না তা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। ইসি আদালতের নির্দেশনায় আদেশ জারি করলে ব্যাপারে আমি আপনাদের জানাতে পারবো। সুতরাং ইসির চূড়ান্ত রায়ের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।
প্রার্থিতার প্রক্রিয়া এবং আদালতের বিচার
গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। কিন্তু আদালতের আদেশের কারণে ফলাফল প্রকাশিত হয়নি। গত ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য আপিল বিভাগ দিন ধার্য করেছিলেন ৩০ জুন। আজ রায়ে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করে আপিল বিভাগ। এই বিচার ক্রমে আসলাম চৌধুরীকে নিয়ে সংসদে সামাজিক বিতর্ক উঠেছে।
আসলাম চৌধুরী কার্যত জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন নির্বাচনে। কিন্তু বিচারপতির সিদ্ধান্তে তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বলেন, ঋণখেলাপির দায়ে সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর স্থান হারিয়েছে। এখন কি বলতে পারবো উনি ঋণ খেলাপি ছিলেন কি না এই প্রশ্ন সম্পূর্ণ রূপে আলোচিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আমরা সেদিন বলেছিলাম সংসদে কোনো ঋণখেলাপি সদস্য নেই। ঋণগ্রস্ত থাকতে পারেন। তিনি সংসদ সদস্যের শপথ নিয়ে এখানে আসেন নাই। উনি সংসদ সদস্য নন। আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং উচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন। তাই এটা শেষ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রতিটি মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। আসলাম চৌধুরীর বিষয়টি কিছু নির্বাচনী কৌশল নিয়ে চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতের রায় দ্বারা সেই কৌশলের পরিপ্রেক্ষিতে এখন কি বলতে পারবো উনি ঋণ খেলাপি ছিলেন �