ব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা
মূলধন ঘাটতি আরও গভীর হয়েছে
ব য ক খ ত ম লধন – ব্যাংক খাতে মূলধন সংকট অত্যন্ত গুরুতর হয়েছে। বছরে বছরে কন্ট্রোল ব্যবস্থা কার্যকর হয়নি, রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ অনুমোদন হয়েছে। এর ফলে ডিসেম্বর প্রান্তিকে সম্পূর্ণ মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃতফসিল নীতির কারণে শেষ তিন মাসে ঘাটতি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সম্পূর্ণ ঘাটতি ছিল ২ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা।
ঋণাত্মক বিতরণ প্রভাব ছড়ানো হয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ডিসেম্বর প্রান্তিকে ব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি কমে ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। যদিও নির্দিষ্ট মানদণ্ডে ক্যাপিটাল টু রিস্ক ওয়েটেড অ্যাসেট রেশিও (সিআরএআর) ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর ন্যূনতম সিআরএআর হওয়া বাধ্যতামূলক।
বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকায় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি আরও বেড়েছে। এতে নতুন ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী খেলাপি ঋণ মোট বিতরণ করা ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী খেলাপি ঋণ আদায়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
গোটা ব্যাংক খাতে সংখ্যা সম্পূর্ণ ঘাটতির পরিমাণ
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মোট মূলধন ঘাটতি ৩৭ হাজার ৩৬৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা। যেখানে জনতা ব্যাংকের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি হয়েছে। অগ্রণী ব্যাংক ঘাটতি ৬ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। আর ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলোর মোট ঘাটত