নাফ নদীতে বিজিবির সঙ্গে সশস্ত্র গ্রুপের গোলাগুলি, অস্ত্র উদ্ধার
নাফ নদীতে বিজিবি ও সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে গোলাবর্ষণের ঘটনা ন ফ নদ ত ব জ ব - নাফ নদীতে বিজিবি এবং সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে ঘটে গুরুতর সংঘটনা সীমান্ত এলাকার
নাফ নদীতে বিজিবি ও সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে গোলাবর্ষণের ঘটনা
Bangladailypost.com – ন ফ নদ ত ব জ ব – নাফ নদীতে বিজিবি এবং সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে ঘটে গুরুতর সংঘটনা সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্কতা বৃদ্ধি করতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর সময়ে উখিয়া সীমান্তসংলগ্ন নাফ নদীতে সশস্ত্র গ্রুপ একটি নৌকার মাধ্যমে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। এ ঘটনার পর বিজিবি টহল দল ঘটনার অবিলম্বে নদীর কাছে অবস্থান নেয় এবং সশস্ত্র গ্রুপটির ওপর গোলাবর্ষণ শুরু করে। সশস্ত্র গ্রুপ কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে পরে নৌকা প্রস্তুত করে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়।
অস্ত্র উদ্ধার এবং বিজিবি কর্মকাণ্ড
ঘটনার পর বিজিবি গোয়েন্দা দল নৌকা আটক করে তল্লাশি চালিয়ে সরঞ্জামগুলি উদ্ধার করে। উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি রাইফেল, তিনটি খালি ম্যাগাজিন, পাঁচশত পনেরো রাউন্ড গুলি, একটি মোবাইল ফোন এবং দুটি এয়ারটেল সিম। নাফ নদীতে বিজিবি নৌকা আটক করার ফলে সশস্ত্র গ্রুপের সম্পূর্ণ বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম ঘটনার পর সীমান্তে আরও গুরুতর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে বিজিবি সশস্ত্র গ্রুপের আক্রমণ রুদ্ধ করেছে এবং সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বিষয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, নাফ নদীতে বিজিবি কর্মকাণ্ডের পর সীমান্তে বিজিবির জনবল এবং গোয়েন্দা সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, উখিয়া সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষ এবং জেলেদের জান-মাল নিরাপত্তা বিজিবি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সুনিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ঘটনার সাথে নাফ নদীতে বিজিবি এর অপারেশনের সম্পূর্ণ তথ্য এবং অস্ত্র উদ্ধারের প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিশদ তথ্য আমরা সরাসরি জানতে পারি।
সীমান্ত এলাকার গোয়েন্দা সচেতনতা বৃদ্ধি
বিজিবি দলের অপারেশনের ফলে সশস্ত্র গ্রুপের বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। নাফ নদীতে বিজিবি কর্মকাণ্ড অনুসারে সীমান্ত এলাকার গোয়েন্দা সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ঘটনার পর স্থানীয় কর্মকর্তারা সশস্ত্র গ্রুপের সম্ভাব্য আক্রমণ রুদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। পুনরায় নাফ নদীতে বিজিবি দলের সদৃশ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আরও গুরুতর অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান সূত্রে। ঘটনার পর বিজিবি নৌকা আটক করে অস্ত্র উদ্ধার এবং গোয়েন্দা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
উদ্ধার করা হয়েছে আরও চার হাজার পিস ইয়াবা সহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র। এ ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় বিজিবি এর নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে নাফ নদীতে সশস্ত্র গ্রুপে