বুড়িমারী এক্সপ্রেস আড়াই ঘণ্টা বিলম্বের পরিণতি খুব খারাপ
ব ড় ম র এক সপ র – বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পূর্বাভিসমান সময়ে চলে যাওয়ার জন্য অপেক্ষাকৃত সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি ঘটেছে। রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় এই ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে ছাড়ার কথা ছিল, কিন্তু দেরি ঘটায় যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে ধরা পড়েন। গোটা ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে প্রচণ্ড জনতা জমা হয়েছে, যারা বুড়িমারী এক্সপ্রেস প্ল্যাটফরমে অপেক্ষা করেছেন সকাল থেকে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি আড়াই ঘণ্টা দেরি হয়েছে এবং সম্ভবত মাঝের সময়ে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে। এই দেরির কারণ হতে পারে ইঞ্জিনের অসম্ভব অস্থিরতা বা অপরিচিত সমস্যার কারণে। অবশ্য এই বুড়িমারী এক্সপ্রেস বিলম্বের মধ্যে যাত্রীদের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।
বুড়িমারী এক্সপ্রেসের বিলম্ব কী কারণে হয়েছে?
বুড়িমারী এক্সপ্রেসের দেরি ঘটার পিছনে কারণ হতে পারে বগুড়ার একটি স্থানে ইঞ্জিনের অসম্ভব সমস্যা। এই প্রসঙ্গে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. কবীর উদ্দীন জানান যে, ট্রেনটি প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরি হয়েছে বুড়িমারী এক্সপ্রেস স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে। তিনি বলেন, ইঞ্জিনের সমস্যার কারণে সময়মতো ছেড়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তিনি আশা করেন যে বুড়িমারী এক্সপ্রেস বিলম্ব হওয়ার পর যাত্রীদের সময় দেওয়া হয়েছে আরও একটি সময়।
যাত্রীদের দুর্ভোগ কেমন হয়েছে?
বুড়িমারী এক্সপ্রেসের দেরি যাত্রীদের প্রতিকূল পরিবেশে ফেলেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা যাত্রীরা অপেক্ষার অভিজ্ঞতা সম্ভবত বুড়িমারী এক্সপ্রেসে অত্যন্ত খারাপ হয়েছে। সকাল থেকে যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করছেন এবং কোনো তথ্য পাচ্ছেন না। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি হয়েছে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের কাছে। বুড়িমারী এক্সপ্রেসের যাত্রী সুরাইয়া বলেন, আমাদের কোনো তথ্য ছিল না এবং আমরা কেবল অপেক্ষা করতে বাধ্য হয়েছি।
বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি যে কারণে দেরি হয়েছে তা নিয়ে এখনও অস্পষ্টতা আছে। রেলওয়ে পরিচালনা কর্তৃপক্ষের তরফে বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। বুড়িমারী এক্সপ্রেস সময় দেরি বোর্ডে দেখা যায় যে ট্রেনটি অনেক সময় অপেক্ষায় ছিল। স্টেশনে বসে আছেন একটি যাত্রী বলেন, আমরা সকাল থেকে চ�