News

নামেই ‘নো হর্ন জোন’, শব্দদূষণে কান ঝালাপালা

শব্দদূষণে কান ঝালাপালা হওয়া দশা নগরবাসীর ন ম ই ন হর ন জ - চট্টগ্রাম নগরে বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ‘নো হর্ন জোন’, ‘নীরব

Desk News
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শব্দদূষণে কান ঝালাপালা হওয়া দশা নগরবাসীর

ন ম ই ন হর ন জ – চট্টগ্রাম নগরে বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ‘নো হর্ন জোন’, ‘নীরব এলাকা’ ও ‘হর্ন বাজানো নিষেধ’ লেখাসহ সাইনবোর্ডগুলো চোখে পড়ে। কিন্তু নির্দেশনার প্রকৃত অবস্থা আর কার্যকর প্রকৃতি মাঝে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। যানবাহনের অবিরাম হর্ন, বিশেষ করে হাইড্রোলিক হর্নের বিকট আওয়াজ সহ নির্মাণকাজের শব্দ এবং ক্ষণে ক্ষণে মাইকিংয়ে কান ঝালাপালা হওয়ার দশা নগরবাসীদের গৃহিত হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের ঘোষণা এখন বাস্তবতার প্রতিকূল হয়েছে

২০২১ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর জামাল খান মোড় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটক এলাকাকে ‘নো হর্ন জোন’ ঘোষণা করেন। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অপ্রয়োজনীয় হর্ন বন্ধ করা বাস্তব কর্মের প্রকৃত পরিচয় ছিল। কিন্তু পাঁচ বছর পর সেখানকার চিত্র ভিন্ন হয়েছে। দুই এলাকায় দিনভর বেজে চলেছে গাড়ির কর্কশ হর্ন। শব্দদূষণের মাত্রা কমার পরিবর্তে কিছু ক্ষেত্রে বেড়েছে।

“শব্দদূষণ আমাদের মন-মেজাজে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। হাসপাতাল এমনিতে রোগীতে ভরপুর। তার ওপর আছে শব্দদূষণের সর্বোচ্চ মাত্রা। এটা রোগী ও সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর।” – ইএনটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোবারক হোসাইন

অধিদপ্তরের মতে, নীরব এলাকায় দিনের বেলা শব্দের সর্বোচ্চ অনুমোদিত মাত্রা ৫০ ডেসিবল এবং রাতে ৪০ ডেসিবল। কিন্তু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ডা. খাস্তগীর স্কুল এলাকায় এই মাত্রা ৭৫ দশমিক ৫ ডেসিবল পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা অনুমোদিত সীমার দেড় গুণ।

বাণিজ্যিক এলাকায় পরিস্থিতি বিপজ্জনক

ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগাং (ইউএসটিসি), বাওয়া স্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজের সামনে শব্দের তীব্রতা সাড়ে ৭৮ ডেসিবল হয়েছে। পাহাড়তলী গার্লস স্কুলের সামনে ৭৬ দশমিক ৬, ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে ৭৪ দশমিক ৫ এবং জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালের সামনে সাড়ে ৭১ ডেসিবল মাত্রা রেকর্ড কর

Leave a Comment