গ্রেফতারের ভয়ে যুবক ইয়াবা গিলে অসুস্থ হয়ে পড়েন
মাদারীপুরে ঘটনা ঘটে রাতে, হাসপাতালে পাঠানো হয় দুপুরে
গ র ফত র র ভয় ১৯ – গ্রেফতারের ভয়ে সোহাগ ফকির (৩৬) ইয়াবা গিলে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ ঘটনা বুধবার (১৩ মে) মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব রাস্তি এলাকায় ঘটে। রাতে গোয়েন্দা পুলিশের মাদক উদ্ধার অভিযানে সোহাগের অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়ে। পুলিশ তাকে অপসারণ করার আগে তার মাধ্যমে প্রায় ১৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সোহাগ তার অবস্থা নিয়ে চিকিৎসার জন্য মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে আনা হয়। এ ঘটনার পর তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রবেশ করেন।
গ্রেফতার হতে বাচার চেষ্টা করে তিনি ইয়াবা গিলেন
পুলিশ তাকে গ্রেফতার হতে বাচার জন্য প্রায় সোহাগ ফকির গ্রেফতারের ভয়ে সে ইয়াবা গিলে ফেলেন। ঘটনার পর তার শরীরে শ্বাস অস্থির হয়ে ওঠে। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয় তার গুরুতর অবস্থার কারণে। মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু নাঈম জানান গ্রেফতারের ভয়ে ইয়াবা গিলা ঘটনার পর তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আনা হয়। তার পরিবারের সদস্য মৃত মোফাজ্জেল ফকিরের ছেলে হিসেবে পরিচিত। তার গ্রেফতারের ভয় প্রতিবেদনে আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এসআর/এএসএম নামে প্রকাশিত হয়।
“গ্রেফতার হতে বাচার জন্য সোহাগ ফকির ইয়াবা গিলে ফেলেন। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং গ্রেফতারের ভয় প্রতিবেদনে এটি নোংরা হয়ে ওঠে। তার পর তিনি মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়,” বলেন আবু নাঈম।
মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় ইয়াবা গিলে ফেলেন ঘটনার পর তার মাদক উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেফতারের ভয়ে ইয়াবা গিলে ফেলেন ঘটনার প্রতিবেদন গুরুতর অবস্থার কারণে প্রায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আনা হয়। গ্রেফতারের ভয় ছাড়া তার বিষয়ে আরও তথ্য আছে।
গ্রেফতারের ভয় প্রতিবেদন অনুযায়ী সোহাগ ফকির বুধবার রাতে অপসারণের চেষ্টায় ইয়াবা গিলে ফেলেন। এ কারণে তার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া হয়ে ওঠে। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য কৌশল অবলম্বন করেন। গ্রেফতারের ভয়ে সোহাগ তার অবস্থা গুরুতর করে ফেলেন। তার বিষয়ে পরিচয় তৈরি করে নিয়ে আনা হয়।
মাদক আইন প্রতিবেদন গ্রেফতারের ভয় নিয়ে তৈরি হয়। এ ঘটনার পর পুলিশ তাকে মাদারীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে আনেন। ইয়াবা গিলে ফেলেন ঘটনার পর তার চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেড