রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার চায় রাষ্ট্রপক্ষ
র ম স হত য ম মল – রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মতে রামিসা হত্যা মামলায় তারা দ্রুত বিচার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য ১ জুন তারিখ ধার্য করেছে। রোববার (২৪ মে) বিকেলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছিলেন।
এর আগে দুপুরে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডিএনএ রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা রিপোর্ট সহ ফরেনসিক প্রমাণ বিশ্লেষণের পর ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এতে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে।
অভিযোগপত্রে নির্দিষ্ট ধারা
অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় ধর্ষণের ফলে মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগ এবং ৩০ ধারায় সহযোগিতার অভিযোগ স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। পাশাপাশি দণ্ডবিধির ২০১ ও ৩৪ ধারায় আলামত গোপন ও সাধারণ অভিপ্রায়ের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
‘রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত বিচার চায় রাষ্ট্রপক্ষ। এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তদন্ত দ্রুত শেষ করে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এখন বিচারিক পর্যায়ে দ্রুত শুনানি শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য।’
ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী আরও জানান, আসামিপক্ষ আইনজীবী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হলে তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে স্টেট ডিফেন্সের ব্যবস্থা করা হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।
উল্লেখ্য যে, মাগুরার আসিয়া হত্যা মামলার পর আইন সংশোধন করে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার বিধান করা হয়েছিল, যা এই মামলায় মাত্র ৫ দিনেই সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় এবং জনদাবির মুখে এই মামলার তদন্ত দ্রুততম সময়ে শেষ করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাসান জানান, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত প্রাঙ্গণে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিআইডি থেকে ডিএনএ ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরই তদন্ত কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হয়। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়।
সরকার মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (স্পেশাল পিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছ