হাটহাজারীতে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
হ টহ জ র ত ব ড় – হাটহাজারী উপজেলার এক শিশু পুকুরে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছে। ঘটনাটি বুধবার (৩ জুন) দুপুরে উপজেলার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপুর গ্রামে ঘটে। শিশুটি আজিজুল হকের ছেলে আয়ান মুহাম্মদ (১৮ মাস) নামে পরিচিত। হাটহাজারী নামক এই অঞ্চলটি অনেকের কাছে নিরাপদ ও মনোরম স্থান হিসেবে জনপ্রিয় ছিল, কিন্তু এই দুর্ঘটনা তার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন খুলেছে। বাড়ির পাশে অবস্থিত স্থানীয় পুকুরটি শিশুদের জন্য খুব আকর্ষণীয় ছিল, কারণ তারা পানি খেলার পছন্দ করে। ঘটনার সময় বাড়ির কাছাকাছি সেই পুকুরে খেলতে খেলতে আয়ান ডুবে যায়। তার মৃত্যুর খবর প্রাথমিক চিকিৎসার পর প্রকাশ হয়।
পুকুরে ডুবে শিশু প্রাণ হারাল
বাড়ির পাশে অবস্থিত পুকুরটি স্থানীয়দের প্রাথমিক চিকিৎসা করার জন্য সুবিধা সরবরাহ করেছিল। আয়ান পড়ে যাওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয় বাসিন্তর তাকে পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে প্রতিক্রিয়া দেয়। শিশুটি হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তার জীবন রক্ষা করা যায় না। ঘটনার পর স্থানীয় সংবাদ প্রেরণ করে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া হয়।
হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ফারজানা ঘোষণা করেন যে আয়ান প্রাণ হারিয়েছে। তিনি পুকুরে ডুবে মৃত্যুর প্রমাণ দেখান। এই দুর্ঘটনার পর উপজেলার প্রশাসন তদন্ত শুরু করে। কিছু সাক্ষী বলেন যে পুকুরে গেলে কোনও সতর্কতা দেওয়া হয় নি। শিশু আজিজুল হকের পরিবার সংবাদের পর আনন্দ ভোলেনি। বাড়ির পাশে পুকুর কেবল সুবিধার জন্য রয়েছে বলে তারা বলেন, কিন্তু শিশুর মৃত্যুর কারণে তারা বিষণ্ণ হয়েছে।
হাটহাজারী উপজেলার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিক্রিয়া কিছু সংবাদ মাধ্যম দ্বারা প্রকাশ করা হয়। স্থানীয়দের কাছে কথা কেবল পুকুরে খেলার সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু এই ঘটনার পর আরও গুরুতর তদন্তের দরকার হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে কোনও বাধ্যতামূলক নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে ঘোষণা করা হয়। হাটহাজারী পুকুরটি মাটির পাশে অবস্থিত, যা স্থানীয়দের সাধারণ ব্যবহার করে এবং সময়ে সাবধানতার দরকার ছিল।
শিশুর মৃত্যু ঘটার পর আশপাশের গ্রামবাসীরা বিষণ্ণ হয়ে পড়ে। পুকুরের সীমান্ত হাটহাজারী উপজেলার স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। তারা বলেন যে সাধারণ সতর্কতা নেয়া দরকার ছিল। ঘটনার পর পুকুরে কোনও অগ্রগতি হয় নি। আয়ানের মৃত্যু ঘটার পর তার বাপ আজিজুল হক হাটহাজারী স্থানীয় বাসিন্তরকে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন যে পুকুর সম্পর্কে কোনও সতর্ক পদক্ষেপ নেয়া হয় নি।
হাটহাজারী উপজেলার স্থানীয় সদস্যরা বিষয়টি আলোচনা করেন। তারা বলেন যে পুকুরে খেলা বাড়ির কাছাকা�