News

অবিক্রীত ৩১ লাখ কোরবানিযোগ্য পশু খামারিদের ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’

95691449-a218-4edb-9d0d-068847ab3bbd-0

অবিক্রীত ৩১ লাখ কোরবানিযোগ্য পশু খামারিদের ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’

Bangladailypost.com – অব ক র ত ৩১ ল খ – ঈদুল আজহার উপলক্ষে খামারিরা সারাবছর আশার বোঝা বুনেছিলেন। সাধারণত কোরবানির হাটে পশু বিক্রি করে কিছুটা লাভের আশা করা হতো তাদের পক্ষে। কিন্তু অপেক্ষার চেয়ে কম দাম পাওয়ায় অনেকের কোরবানিযোগ্য পশু অবিক্রীত রয়ে গেছে। হাট থেকে ফিরে আসা পশুগুলির খাবার, ওষুধ এবং পরিচর্যার খরচ খামারিদের আরও বেড়ে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক বিপর্যয় সহ একে অপরে সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তা এবং দুশ্চিন্তা পড়েছে তাদের মাথায়।

খামারিরা এ মৌসুমে সারাবছর স্বপ্ন বুনেছিলেন ঈদুল আজহার উপলক্ষে। কোরবানির হাটে পশু বিক্রি করে কিছুটা লাভের আশা ছিল তাদের। কিন্তু প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে অনেকের পশু অবিক্রীত রয়ে গেছে। হাট থেকে ফেরত আসা পশুগুলির খাবার, ওষুধ ও পরিচর্যার খরচ এখনো বহন করতে হচ্ছে খামারিদের।

পশু কোরবানি সংখ্যা কমেছে বলে জানাল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবছর কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ। চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার। কিন্তু কোরবানি হয়েছে প্রায় ৯২ লাখ। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে প্রায় ৩১ লাখ কম পশু বিক্রি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় কোরবানি সামান্য বেড়েছে। গত বছর কোরবানি হয়েছিল ৯১ লাখ পশু। তবে পশু কোরবানি গত বছরের (২০২৪) তুলনায় প্রায় ১৩ লাখ কম হয়েছে।

‘কোরবানি প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা কম হয়েছে বলে আমরা তথ্য পাচ্ছি। মাঠপর্যায় থেকে এখনো তথ্য সংগ্রহ চলছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে।’ – মো. শাহজামান খান

এ বছর কোরবানি কমে যাওয়ার কারণগুলি বিশ্লেষকদের মতে অর্থনৈতিক দুর্বলতা, ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব, দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রতিক্রিয়া প্রভাব ফেলেছে কোরবানির বাজারে। এছাড়া উৎপাদন খরচ বেড়েছে বলে জানানো হয়েছে। কয়েক বছর ধরে পশুর দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে যা প্রাথমিক মধ্যবিত্তদের দামের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

আগে একা একটি পশু কোরবানি করতেন তারা এখন কয়েকজন মিলে ভাগে কোরবানি করছেন। যারা ছোট গরু দিতেন তারা ছাগল দিচ্ছেন। অন্যদিকে অনেক কষ্টে পশু দিতেন তারা এবার দিতে পারেননি। অর্থনৈতিক দুর্বলতা এখন কোরবান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *