নামাজের সময়সূচি: ৪ জুন ২০২৬
ন ম জ র সময়স চ – ৪ জুন ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা ও তার আশেপাশে অবস্থিত অঞ্চলে নবীজি (সা.) অনুসারে নির্ধারিত নামাজের সময়সূচি বিস্তার করা হয়েছে। সূত্র হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেখানো হয়েছে।
নামাজের পরিমাণ ও গুরুত্ব
পাঁচ ওয়াক্তে নামাজ পরিচালনা করা অপরিহার্য। ইতিহাসে এক ফরজ ও ওয়াজিব নামাজের সময়সূচি সম্পর্কে জানা যায় যে এগুলো বিশ্বাসীর জীবনে প্রধান গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ফরজ নামাজ ছেড়ে দিলে গুনাহ হয়, আবার ওয়াজিব নামাজ ছেড়ে দিলে সওয়াব হবে না। সুন্নত নামাজ পড়লে সওয়াব লাভ করা যায়, যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও যায়েদা।
নামাজের সময়সূচি নিয়ে ইসলামিক গ্রন্থে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা কোরআনে নামাজ মুমিনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে পালন করা ফরজ বলে ঘোষণা করেন। তার গুরুত্ব সম্পর্কে হাদিস থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে নামাজ পরিচালনা করা হাসিল করে নিশ্চিত আমল হয়।
প্রতিদিনের নামাজ সময়সূচি
৪ জুন ২০২৬ তারিখে সূর্যোদয়ের পর ফজর নামাজ পড়া হয়। এটি দুই রাকাত ফরজ। ফরজের আগে দুই রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় করা সুপ্রিম গুরুত্বপূর্ণ। জোহর নামাজের সময়সূচি সূর্যাস্তের পর পড়া হয়, যেখানে চার রাকাত ফরজ এবং আগে চার রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা থাকে।
আসরের নামাজ সময়সূচি দুপুরের পর সূর্যাস্তের সময়ে পড়া হয়। এটি চার রাকাত ফরজ এবং আগে চার রাকাত সুন্নতে যায়েদা। মাগরিব নামাজ সময়সূচি সূর্যাস্তের পর মাঝে মাঝে পড়া হয়, যেখানে তিন রাকাত ফরজ এবং পরে দুই রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় করা যায়। ইশার নামাজ সময়সূচি রাতে সূর্যোদয়ের পর পড়া হয়, যেখানে চার রাকাত ফরজ এবং আগে চার রাকাত সুন্নতে যায়েদা ও পরে দুই রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা থাকে।
নামাজ ইসলামে ইমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়। কোরআনে বলা হয়েছে, নামাজ মুমিনের