হত্যা মামলায় সাবেক মেয়র আতিকুলের জামিন আবেদন নাকচ
মামলার প্রতিবাদ বিষয়ে নতুন তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে
হত য ম মল য় স ব – ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আগের মেয়র আতিকুল ইসলামের হত্যা মামলায় জামিন আবেদন নাকচ হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিবাদ কেন্দ্রিক ঘটনায় তাঁকে নবম আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে বিচারক সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ জারি করেন। আদালতের সহকারী বেঞ্চ মো. রিয়াজ হোসেন তা যাচাই করেছেন। মামলাটি গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল এবং এখনও তদন্ত চলছে। বিচারক আদেশে জামিন আবেদন অস্বীকৃত হয়েছে বলে জাহির করেছেন, যার পরিণতি মামলার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
বিচারক সাব্বির ফয়েজ জামিন আবেদনের বিরোধী দলিলগুলি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ করেন। তিনি আতিকুল ইসলামের সাবেক মেয়র পদের প্রতিবাদ কেন্দ্রিক সাবেক হত্যা মামলার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। বিচারক আদেশে বলা হয়েছে যে আতিকুল ইসলামের জামিন আবেদনে স্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং তিনি মামলার মূল বিষয়টি আবার সংশ্লিষ্ট করেছেন। সাবেক মেয়রের সমর্থকরা বলছেন যে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিবাদ কেন্দ্রে অংশ নিয়েছিলেন এবং সেই ঘটনার প্রতি সাবেক মেয়রের কাছে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।
বিচারক সাব্বির ফয়েজ জামিন আবেদন নাকচ হওয়ার প্রতিবেদনে বলেন, “আতিকুল ইসলামের সাবেক মেয়র পদের বিশেষ স্থান এবং মামলার ঘটনার সম্পর্কে স্পষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাই জামিন আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।”
গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর নিহত রাকিব হাসানের চাচা মো. নুরুল আমিন হত্যা মামলার বাদী হয়ে আতিকুল ইসলামের সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও আসামি করেছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে আইটি জেড স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রাকিব হাসান গুলিবিদ্ধ হয়। সেন্ট জোসেফ স্কুলের সামনে আহত হওয়ার পর তাকে শেরে বাংলা নগর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনার পর নিহতের পরিবার সাবেক মেয়রকে হত্যা মামলার বিষয়ে দায়ী বলে জানিয়েছেন।
পুলিশের তদন্ত আবার শুরু হয়েছে
হত্যা মামলার তদন্ত চলছে পুলিশের হাতে। তাদের দাবি, ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করার জন্য আতিকুল ইসলামের প্রতিবাদ কেন্দ্রিক সাবেক মেয়র কেন্দ্রে কাজ চলছে। পুলিশ তদন্তে বলছেন যে রাকিব হাসানের মৃত্যুর পর অপরাধীদের অবিচারিত হত্যার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। আতিকুল ইসলাম মামলার বিষয়ে সাবেক মেয়র পদের ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত নিয়ে বিশেষ হত্যা মামলার সাবেক মেয়র কেন