নারী, তরুণ ও জলবায়ু সুরক্ষায় জনবান্ধব বাজেটের আহ্বান
ন র তর ণ ও জলব য় – আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। অর্থনীতিবিদ, গবেষক, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারকরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী উন্নয়ন এবং জলবায়ু খাতে যথেষ্ট বরাদ্দ নিশ্চিত করার দরকার বলে মত দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে একশনএইড বাংলাদেশ আয়োজিত একটি আলোচনায় এসব মত প্রকাশ করা হয়েছে।
বক্তাদের মতামত অনুযায়ী, নতুন সরকার শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান খাতে জনগণের সহযোগিতা ও আয় বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে কাজ করছে। কিছু প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি অংশগ্রহণে জড়ানো হয়েছে। তবে বাজেট প্রক্রিয়া আরও অংশগ্রহণমূলক হওয়ার প্রয়োজন বলে আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাজেটের বিশ্লেষণ
একশনএইড বাংলাদেশের বাজেট পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত পাঁচ বছরে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক ৭২ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে জেন্ডার বাজেটের হার কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ মাত্র ২ দশমিক ৮৯ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ বলেন, এখন নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জলবায়ু অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক তহবিল ও আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ জানান, সরকার কার্বন ট্রেডিংয়ে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন এবং ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে কাজ চালাচ্ছেন।
পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. গোলাম মোছাদ্দেক বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৈষম্য কমানো। এতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শারমিন্দ নীলোর্মি জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক প্রকল্প বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি বলেন, ঋণনির্ভর উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদী হবে না যদি উপকূলীয় তরুণদের জন্য উদ্যোক্তা তহবিল বৃদ্ধি না করা যায়।
সুপারিশ বিষয়ে আলোচনা
সংলাপে নারী কৃষকদের জন্য উন্নতমানের বীজ সহ সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানান মোসাম্মৎ নীপা আক্তার। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে নারী কৃষকরা অনেক সময় সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, নারী, তরুণ ও জলবায়ু ইস্যুকে আলাদা করে দেখার প্রয়োজন নেই। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৩ শতাংশে উন্নীত করার দাবি উঠেছে। আরও সুপারিশ হলো নারী উদ্যোক্তা তহবিল গঠন ও