শিশু জন্মের পরপরই জন্মনিবন্ধন ও পথশিশুদের জন্য ভাতা চালুর দাবি
শ শ জন ম র পরপরই – বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ প্রস্তাব দিয়েছে শিশু জন্মের তুরপর হাসপাতাল ও কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে জন্মনিবন্ধন অবশ্যই করা হবে। সেই সাথে পথশিশু ও অতিদরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য শর্তযুক্ত শিশু ভাতা চালু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত মিডিয়া পরামর্শ সভায় এ দাবি তুলে ধরা হয়। সভায় কারিতাস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের পরিচালক থিওফিল নকরেক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করছে। তিনি জানান, পথশিশুদের পরিবার নেই বা তারা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাজার বস্তি বা ফুটপাতে বড় হচ্ছে। এদের জন্য রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা নেই।
পথশিশুদের জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা দাবি
থিওফিল নকরেক বলেন, কারিতাস বাংলাদেশের পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে পথশিশুদের শতাংশের কোনো জন্মসনদ নেই। অন্যদিকে জন্মসনদবিহীন শিশুদের মধ্যে ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ শিশু তাদের মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর জানে না। তাই বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী জন্ম নিবন্ধন করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়েছে।
জন্মসনদ না থাকলে শিশুরা বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেনি, স্বাস্থ্যসেবা নেওয়া বা সরকারি ভাতা পাওয়া কঠিন হয়েছে। তাদের অনেকে শিশুশ্রমে যুক্ত হয়েছে এবং মেয়েশিশুরা যৌন নির্যাতনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে বর্তমানে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার পরিমাণ বাজারের অবস্থার সাথে মেল না খাওয়া। তাই শিশু ভাতা চালু করার দাবি তুলে ধরা হয়েছে। শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠানো, শিশুশ্রম থেকে বিরত করা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করার শর্তে পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া যেতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
২০২৪ সালে মোট জন্মনিবন্ধন হয়েছে ৮৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৩৩ জনের মধ্যে শুধু নীতিগতভাবে ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে অধিকাংশ শিশু নিবন্ধন সময়মতো হচ্ছে না। এটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে শিশু জন্মের পরপরই হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে সরাসরি নিবন্ধন করার দাবি জানানো হয়।
তার সাথে ওয়ার্ডভিত্তিক বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শতভাগ জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। কারিতাস বাংলাদেশ আরও বলেন যে শিশু ভাতার পরিমাণ বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে অত্য