News

রামিসা হত্যায় ‘ডলারের’ দিকে আঙুল সোহেলের, মামলায় নিতে পারে ‘নতুন মোড়’

রামিসা হত্যাকাণ্ডে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত র ম স হত য য় ডল - রাজধানীর পল্লবীতে একটি স্কুল ছাত্রী রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার মামলার বিচার কার্যক্রম

Desk News
Published June 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রামিসা হত্যাকাণ্ডে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত

র ম স হত য য় ডল – রাজধানীর পল্লবীতে একটি স্কুল ছাত্রী রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার মামলার বিচার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আগামীকাল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে সোমবার অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আদালতে প্রমাণ প্রস্তুত করে। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু অভিযোগ গঠনে যুক্তি দেন, কিন্তু রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ তদন্তের গতি ও সাক্ষ্যপ্রমাণে সংশয় প্রকাশ করেন। আদালত দুই আসামিকে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

বিচার শুনানিতে স্বপ্না আক্তার ধর্ষণের পর হত্যার দায় নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং স্বামী সোহেল রানার দিকে তাকিয়ে জানান, তার জবানবন্দি দিয়ে কোনো সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়নি। তিনি স্বীকার করেন, বাসা থেকে ছাত্রীকে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়। নির্যাতনের কারণে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে মৃত মনে করে মরদেহ গুম করা হয়।

শুনানির সময় সোহেল রানা জানান, রামিসার মা তাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়েছিলেন। ফ্ল্যাটের সামনে ছাত্রীর জুতা দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয়। আশপাশের মানুষ জড়ো হয় কিন্তু দরজা খোলা হয়নি। জানালা দিয়ে রক্ত দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে দেখা যায় সোহেল রানা পালিয়ে গেছেন এবং স্বপ্না আক্তার ঘরে অবস্থান করছেন।

আমি ধর্ষণ করি নাই, শুধু লাশ কাটছি। ধর্ষণ করেছে ডলার নামে একজন। আমাকে সেই পাপের শাস্তি দেন।

সোহেল রানা বলেন, রামিসাকে এনে দিতে পারলে ডলার তাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী তাকে পালাতে সাহায্য করেননি এবং কোনো দোষ নেই। আদালতের কাছে তিনি বলেন, আমার দোষ আছে, ডলারেরও দোষ আছে। আমি শুধু বাচ্চাটাকে দুই টুকরো করেছি।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়নি। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তি ও জবানবন্দিতে ডলার নামে কোনো ব্যক্তির উল্লেখ নেই।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, সোহেল রানা আদালতে ডলার নামে একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদনে তার সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, সোহেল রানা যখন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন, তখন ডলার নামে কোনো

Leave a Comment