News

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর পেটে লাথি, গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর পেটে লাথি, গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ য ত ক র দ ব ত - চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে এক মাদকাসক্ত

Desk News
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর পেটে লাথি, গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ

য ত ক র দ ব ত – চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে এক মাদকাসক্ত স্বামী বিপ্লবের (২৪) স্ত্রী শিখা খাতুন (১৮) কে যৌতুক দাবিতে মারধর করে সাত মাসের গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নতুন একটি সামাজিক ক্ষোভ তৈরি করেছে যৌতুক দাবির প্রতি স্ত্রীদের বিরুদ্ধে বলি দেওয়া হয়েছে। শিখা খাতুন বলেন, তিনি স্বামী বিপ্লবের সঙ্গে বাবার আর্থিক অবস্থা জেনে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে শুরু হয়েছে টাকা, মোটরসাইকেল এবং মোবাইল ফোনের দাবি। গর্ভের সন্তানের জন্ম দেওয়া হয়েছে এবং তার জন্মের পর থেকে যৌতুক দাবি বৃদ্ধি পায় বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

সাত মাসের গর্ভের সন্তানের মৃত্যুর পিছনে আঘাত

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩১ মে রাতে বিপ্লব শিখার পেটে লাথি মারেন। তিনি বলেন, স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি বৃদ্ধি পেয়া মাত্র শিখা খাতুনকে মারধর করেন। পরের দিন মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ১০টার দিকে আবারও এক লাখ টাকা, একটি মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন দাবি করেন। এ ঘটনায় শিখার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তিনি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর জানতে পারি আমার সাত মাসের সন্তান আর বেঁচে নেই। শিখা খাতুন প্রাথমিক চিকিত্সা পরিষেবা পাওয়ার পর এ ঘটনার গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে।

যৌতুক দাবির পিছনে আঘাত বাড়ছে

এ ঘটনার পর পর শিখা খাতুন একটি লিখিত অভিযোগ জীবননগর থানায় দাখিল করেন। জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলায়মান শেখ বলেন, এ ঘটনায় যৌতুক দাবি প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তিনি বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিক আরোগ্য ব্যবস্থা হয়েছে এবং আরও পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ার আশংকা রয়েছে। কয়া গ্রামের বাসিন্তে অনেকে অভিযোগ করছেন যৌতুক দাবি বৃদ্ধি করে স্ত্রীদের মুক্তিকামনা বৃদ্ধি করেছে।

যৌতুক দাবি বৃদ্ধি করে স্ত্রীদের পেটে লাথি মারার ঘটনার পর পর স্থানীয় সম্প্রদায়ের কয়েকজন বিষয়টি প্রতিক্রিয়া জানায়। একটি সম্প্রদায়ের সদস্য বলেন, আমাদের কাছে যৌতুক দাবি নেওয়া হয় কিন্তু আমরা সামনে আছি। এ ঘটনা দেখে আমাদের হতাশা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্ত্রীদের পেটে লাথি মারার ঘটনা বিয়ে অর্থনৈতিক চাপে পরিণত হয়েছে।

এ ঘটনার পর পর শিখা খাতুন স্বামী বিপ্লবের বিরুদ্ধে যৌতুক দাবি বৃদ্ধি করে পরিবারের প্রতি আক্রমণ করেন। তার দাবিতে স্বামী বিপ্লব তার ক্ষিপ্ত ভাবে শিখাকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় গর্ভের স

Leave a Comment