মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল কৃষকের
অপরাহ্নের সংঘটন
ম ঠ গর আনত গ য় বজ – ৩ জুন বুধবার সন্ধ্যার দিকে কুড়িগ্রামের বলদিয়া ইউনিয়নের পূর্বকেদার গ্রামে একটি আকাবে ঘটনা ঘটে। নিহত কৃষক আনোয়ার হোসেন (৪৫) তার গরু আনার সময় আকাশ থেকে একটি তীব্র বজ্রপাতে আহত হন। ঘটনার সময় বৃষ্টির মুখে গরু আনতে গিয়ে আনোয়ার হোসেন প্রাণ হারান। তিনি কাজের সময় বেশ কয়েক ঘন্টা ধরে মাঠে থাকেন। ঘটনাস্থলে তার শরীরে গুরুতর ক্ষত ঘটে। পরিষদের সদস্য আব্দুর রাজ্জাক জানান যে কৃষক কোনও আশ্বাস ছাড়া মাঠে গরু আনতে যাচ্ছিলেন। বজ্রপাত ঘটার সময় তিনি আহত হয়ে বিপর্যস্ত হন।
অপরাহ্নের এই ঘটনার ফলে কৃষকের পরিবারের মধ্যে বিষণ্ণতা ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পিতা হোসেন আলী এবং স্ত্রী তার ক্ষতির কথা জানতে এক রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং স্থানীয় গ্রাম পরিষদ কর্মীদের কাছে থেকে তাঁর পরিবার কী করে বিপর্যস্ত হয়েছে তা জানা গিয়েছে। ঘটনার পর থেকে আনোয়ার হোসেনের পরিবার বিষণ্ণতা এবং মৃত্যুর আঘাত অনুভব করছে।
বিপর্যস্ত পরিবার
আনোয়ার হোসেনের পরিবার নিহতের কৃষিজমি এবং পরিবার মুখ্য ধারণাকে বর্ণনা করেছে। তাঁর বৃহৎ অংশ কোমর থেকে বুক পর্যন্ত জ্বলে ভেসে যায়। এই ঘটনার ফলে তাঁদের দুঃখের মধ্যে মাঠে গরু আনতে গিয়ে প্রাণ হারান ঘটনার প্রতি অস্থিরতা প্রকাশ পেয়েছে। তাঁদের কাছে এক রাতে ঘটনার পরিণতি সম্পর্কে জানা গিয়েছে যে তাঁর শরীরে ক্ষত ছিল।
আমরা কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে ছিলাম। বজ্রপাতের বিকট শব্দে সবাই ভয় পেয়ে গেল।
স্থানীয় গ্রামের প্রতিক্রিয়া
ঘটনার পর থেকে বলদিয়া ইউনিয়নের গ্রামবাসীরা কী করে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারান এই ঘটনার কথা বিশেষ করে অবাক হয়েছেন। কোনও আশ্বাস ছাড়া সময়ের সাথে সময়ে তিনি কাজ করেছেন। এই ঘটনার পর তাঁদের পরিবারের জন্য বিশেষ করে গৃহপালনে বিপর্যস্ত হয়েছে। কৃষিজমি হারিয়ে পড়ার পর তাঁদের কী করে বিপর্যস্ত হয়েছে তা স্থানীয় গ্রামবাসীরা অনুভব করছেন।
আপনার প্রতিক্রিয়া
বজ্রপাত ঘটার আগে কৃষক বৃষ্টির আশঙ্কা ছিল। বিষ্ট গ্রামের স্থানীয় বাসিন্ত তাঁদের কী করে ঘটনা ঘটে তা পরিচিতি করেছেন। বজ্রপাতের বিকট শব্দ তাঁদের মাথা ঘামিয়ে দিয়েছে। কৃষক তার পরিবারের সাথে গরু আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের ঘটনাস্থল থেকে সাথে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারান ঘটে।
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অর্পণ কুমার দাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান যে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনার পর তাঁর পরিবার এবং স্থানীয় মানুষ স্থানীয় গ্রামে বিষণ্ণতা ছড়িয়ে পড়েছে।