মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার ৭০.৭৩ শতাংশ
মন ত র সভ র স দ – ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সাতটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবগুলির বাস্তবায়ন হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ হয়েছে। এ তথ্যটি প্রকাশ করা হয় মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপিত এক প্রতিবেদনে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলি কার্যকর হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়।
মন্ত্রিসভা জাপান সরকার এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘ট্রান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়। এ প্রস্তাবটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় উত্থাপন করে।
আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সহযোগিতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ এবং জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুসমর্থনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সাথে সঙ্গে মন্ত্রিসভা ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ) যোগদানের প্রস্তাব প্রমূখ বিষয়ে অনুমোদন দেয়।
আইবিসিএ জোটটি ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে একটি বৈশ্বিক সংরক্ষণ পরিচালনার প্রস্তাব স্বাক্ষরের মাধ্যমে গঠিত হয়। এ জোটের সদস্য হিসেবে বর্তমানে ২৪টি জাতিসংঘ সদস্য দেশ রয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রস্তাব উত্থাপন করে যে জিসিএম-ন্যাপ (২০২৬-২০৩০) খসড়া অনুমোদন পেয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স স্বাক্ষরের প্রস্তাব উত্থাপন করে।
বিশ্বে নিরাপদ, নিয়মিত এবং নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালে জাতিসংঘে ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেইফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন (জিসিএম)’ গৃহীত হয়। বাংলাদেশ এই প্রস্তাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্মে জিসিএম ধারণার প্রবক্তাও বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) ২০২০ সালে বাংলাদেশকে জিসিএম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। জিসিএম ধারণার অবজেকটিভ ও অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আইওএমের সহযোগিতায় খসড়া ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান (জিসিএম-ন্যাপ) প্রণয়ন করা হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ খসড়া অনুমোদন পেয়েছে বলে প্রকাশ করা হয়।