বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ঈদের জামাত শোলাকিয়ায়
ব ষ ট ম থ য় ন – ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। পূর্ব পর্বে কিশোরগঞ্জ শহরের মুসল্লিরা সকাল থেকেই ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে যাওয়ার জন্য এগিয়ে আসেন। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান যে, জামাতে কিশোরগঞ্জ জেলার সর্ববৃহৎ উৎসব হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।
ঈদের পবিত্র সময়ে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম ও কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। সাথে কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়।
ঈদগাহে জামাত শুরুর আগে তিনবার বন্দুকের গুলি ফুটিয়ে ধর্মীয় প্রস্তুতি ঘোষণা করা হয়। এই প্রথা শোলাকিয়া রেওয়াজের অনুসরণে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা পরিষদ জানায় যে, এবারও সমান পরিবেশে জামাতের আগে গুলি ফুটিয়ে প্রস্তুতির সংকেত দেওয়া হয়।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। শান্তিপূর্ণভাবে জামাত সম্পন্ন হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি।”
অনুষ্ঠানে যোগদানকারীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিকল্প ইমাম হিসেবে হয়বতনগর এ ইউ কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা জুবায়ের ইবনে আব্দুল হাই উপস্থিত ছিলেন। নামাজ শেষে দুপুর ১২টায় বৃষ্টির মধ্যে দুটি শোলাকিয়া স্পেশাল ট্রেন পুনরায় নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যায়। এগুলি ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে চলে আসে।
নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় কর্মকর্তারা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। মাঠে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। আর্চওয়ে, ওয়াচ টাওয়ার, সিসিটিভি ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা ও �