রাজধানীতে বেচাকেনা চালু, মাঝারি গরুর চাহিদা বেড়েছে
র জধ ন ত জম উঠছ ব – ঈদ কোরবানির আগে রাজধানীর পশু হাটগুলোতে ক্রেতাদের আসার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দর ও দাম নিয়ে ক্রেতা এবং বিক্রেতার মধ্যে ভিন্ন মত উঠে আসছে। ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন যে এবার সব ধরনের গরুর দাম তুলনামূলক বেশি ঘোষণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিক্রেতারা জানাচ্ছেন যে গো-খাদ্য দাম বেড়েছে এবং পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে গরুর দাম বেড়েছে।
মাঝারি গরুর বেচাকেনা শুরু হলেও বড় গরুর বাজার এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি
কমলাপুর বালুর মাঠ সংলগ্ন পশুর হাটে মাঝারি গরুর বিক্রি শুরু হলেও বড় গরুর বাজার অনুপ্রবেশ করেনি। এই সময় বড় গরুর ক্রেতারা হাটে আসছেন এবং প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন। রাজশাহী থেকে আসা পাইকারি বেপারী রূপচাঁন জানান যে তিনি এবার সাড়ে তিন থেকে চার মণ ওজনের ১৫টি গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে তিনটি গরু বিক্রি করেছেন।
‘বাজারে মাঝারি গরু বেশি চাহিদা। দামও মোটামুটি ভালো পাওয়া যাচ্ছে,’ বলেন রূপচাঁন।
ঝিনাইদহ থেকে আসা বেপারী বাহারুল ইসলাম জানান, হাটে ক্রেতার আসার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেকে কিনছেন। তিনি বলেন, ‘দাম খুব বেশি ভালো না, আবার খারাপও না। খরচের তুলনায় মাঝামাঝি দাম পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতা বাড়ছে, এটিই ইতিবাচক দিক।’
বড় গরুর বিক্রি বৃদ্ধি হতে পারে ঈদের আগে
কুষ্টিয়া থেকে আসা বেপারী হোসাইন জানান যে তিনি বড় তিনটি গরু নিয়ে এসেছেন। কিন্তু এখন কোনো গরু বিক্রি করতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘ক্রেতারা কম দাম বলছেন। হয়তো বাজার যাচাই করছেন। বড় গরু সাধারণত ঈদের এক-দুই দিন আগে বেশি বিক্রি হয়। আমাদের অপেক্ষা করছে দুই দিন।’
‘২৬ তারিখের পর বড় গরুর বিক্রি বাড়তে পারে। কিন্তু গো-খাদ্য দাম বেশি হওয়ায় ভালো দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে,’ জানান হোসাইন।
দাম নিয়ে ক্রেতারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কমলাপুর বালুর মাঠ সংলগ্ন ব্রাদার্স ক্লাব মাঠে গরু দেখতে আসা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বেপারীরা অনেক বেশি দাম বলছেন। সবাই গো-খাদ্য দাম বাড়ার কথা বলছেন। আমরা দুই পরিবারের জন্য দুটি গরু কিনতে এসেছি। একটি মাঝারি গরু কিনেছি, আরেকটি কিনতে চাই। কিন্তু যেখানে যাচ্ছি, দাম গতবারের তুলনায় অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে।’