ডা. শাহাদাত হোসেন / শ্রমিক কর্মচারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় চসিককে স্বাবলম্বী করার বিকল্প নেই
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র অধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব উল্লেখ করেন
ড শ হ দ ত হ স – শ্রমিক কর্মচারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) স্বাবলম্বী করার কোনো অপশন নেই বলে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, চসিককে নিজেদের আয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারলে শ্রমিকদের অধিকার গ্রহণ, চাকরি স্থায়ীকরণ এবং রাস্তা ড্রেন উন্নয়ন সহ সমস্ত সেবামূলক কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
শনিবার (২৩ মে) বিকেলে নগরীর লালদীঘি অবস্থিত চসিক পাবলিক লাইব্রেরি হলরুমে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র আরও বলেন, চসিক প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার দেনায় জর্জরিত ছিল। কিন্তু সবার সহযোগিতার ফলে এবং মহান আল্লাহর রহমতে এখন প্রায় ১০০ কোটি টাকার দেনা পরিশোধ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, আগামী সময়ে ঠিকাদারদের পাওনা পরিশোধের জন্য আমরা অবিলম্বে চেষ্টা চালাচ্ছি।
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আইনানুগ হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ে চসিক কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাত্র ৪৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও নতুন মূল্যায়নের ফলে আইনানুগ ট্যাক্স নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২৬৪ কোটি টাকা হিসেবে। বন্দরের ভারী যানবাহনগুলি সবসময় চসিকের সড়ক ব্যবহার করছে যা বছরে অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে।
শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ীকরণ সম্পর্কে তিনি জানান, চসিক কর্মকর্তৃপক্ষের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে ১ হাজার ৫৫৭ জন কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। আরও জানান যে এই পদক্ষেপ আপনাদের অধিকার হিসেবে গণ্য।
বিশেষ কর্মসূচির অংশগ্রহণকারীদের তালিকা
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহার, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মজুমদার, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকী, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জাকির হোসেন, নবনির্বাচিত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ, সহ-সভাপতি মন্জু মিয়া এবং অন্যান্য নেতারা। মেয়র আরও বলেন, গত ঈদুল ফিতরে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা পরিচ্ছন্নতা কর্�