‘জাল নথিতে’ বাংলাদেশে মালিকানা বহাল রাখার অভিযোগ বিএটির বিরুদ্ধে
জ ল নথ ত ব ল দ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানির দুটি কারখানা, যথাক্রমে ঢাকায় ও চট্টগ্রামে, সরকারের মালিকানাধীন হওয়ার কথা ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ টোব্যাকো কোম্পানির মালিকানা বহাল রাখার অভিযোগ পরীক্ষা করছে। নথি জাগো নিউজ থেকে সংগৃহিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং ঘটনা হিসেবে এই অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে সরকার পূর্বে অর্থ প্রদান করে কারখানার মালিকানা বদলের জন্য দাবি ছিল, যে কারখানা বিএটি কোম্পানির মালিকানাধীন রয়েছে তা দুর্নীতির মাধ্যমে বহাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে।
সরকারের মালিকানা বদলের প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ টোব্যাকো কোম্পানির স্থাপন ও বিস্তার হয়েছে স্বাধীনতা ঘোষণার পর। সরকার পূর্বে অর্থ সরবরাহ করে কারখানা দুটি কিনে নেয়, যে কারখানা পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি দ্বারা ব্যবহার করা হয়েছিল। বিএটির পক্ষে মালিকানা বহাল রাখার দাবি অনুযায়ী, সরকার পূর্বে অর্থ প্রদান করা হয়েছিল কারখানা কিনতে, কিন্তু বর্তমানে মালিকানা কিন্তু তথ্য সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য নয় বলে অভিযোগ উঠছে। দুদক তদন্তে কোম্পানির ইনকরপোরেশন সনদ, মূলধনের অর্থ বিন্যাস, কারখানা তালিকা এবং পরিচালনা পর্ষদের নথি পরীক্ষা করছে। এই তদন্তের মাধ্যমে মালিকানা বহাল রাখার কারণ খুঁজা হচ্ছে যে কোম্পানির নথি বাংলাদেশের সরকারের বিরুদ্ধে বিতর্কিত হয়েছে।
নথি তলবের প্রক্রিয়া ও কোম্পানির প্রতিক্রিয়া
দুদক বাংলাদেশ টোব্যাকো কোম্পানির নথি তলব করেছে মালিকানা বহাল রাখার অভিযোগের তদন্তে। আকতারুল ইসলাম, দুদকের উপ-পরিচালক, বলেছেন যে এ জন্য মালিকানা কাঠামো ও অর্থ বিন্যাসের প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। নথি জাগো নিউজ প্রকাশ করেছে যে বাংলাদেশে কারখানা মালিকানা বহাল রাখার কথা বলেছে বিএটির কাছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও প্রকাশ করা হয়নি, কিন্তু তদন্ত চলছে সর্বাধিক সতর্কতা সহ জাল নথি দিয়ে মালিকানা বহাল রাখার ক্ষেত্রে।
তদন্তের বিষয়ে দুদক নথি জাগো নিউজের সহযোগিতায় বিএটি কোম্পানির নথি সংগ্রহ করছে। সেই নথি দ্বারা মালিকানা কিছু পরিবর্তনের কথা উঠেছে যে কোম্পানির সরকারের বিরুদ্ধে বিতর্কিত হয়েছে। বিএটি কোম্পানি পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি থেকে কারখানা কিনে নেয় বলে অভিযোগ উঠছে। এ বিষয়ে দুদক আরও গুরুতর পরীক্ষা করছে নথির সত্যায়িত অনুলিপি প্রদান করতে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত কাজ করছে।
এই তদন্ত বাংলাদেশে অর্থনীতি সম্পর্কে গুরুতর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছ