গুলিয়াখালী সৈকতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার
গ ল য খ ল স কত – গুলিয়াখালী সৈকতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক রিফাত শেখের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পরিচয় পেয়া হয় সোমবার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে কেওড়া বাগান এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে গুলিয়াখালী সৈকত এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয়দের সাথে যুক্ত করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
নিখোঁজ পর্যটক রিফাত শেখ নিজের খোঁজে কুমিল্লা জেলার মর্মে পরিচয় পেয়েছিলেন
নিখোঁজ পর্যটক রিফাত শেখ (১৬ বছর) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর এলাকার মোহাম্মদ খায়রুল শেখের ছেলে। তিনি গুলিয়াখালী সৈকতে বেড়াতে আসার জন্য স্থানীয়দের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন, কিন্তু সেই নিষেধ অমান্য করে সাঁতার কাটতে যাওয়ার পর ঘটনা ঘটে। তিনি আহত হয়ে পড়েন এবং ডুবে যেতে লাগলে স্থানীয় বাসিন্তে দ্রুত বোট নিয়ে তার উদ্ধারের চেষ্টা করে। কিন্তু তার পরিচয় পেয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী সন্ধ্যায় উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
উদ্ধার কার্যক্রমে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নজরে রেখেছে
গুলিয়াখালী সৈকত এবং আশপাশের এলাকার স্থানীয়দের সহযোগিতার ফলে রিফাত শেখের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। কেওড়া বাগান এলাকায় নিখোঁজ পর্যটক উদ্ধার করার পর তার মরদেহ বিশেষ করে গুলিয়াখালী সৈকতে সম্পূর্ণ পরিচয় পেয়া হয়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মোহাম্মদ বেলাল হোসেন জানান, গুলিয়াখালী সৈকতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ সোমবার বেলা ১১টার দিকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের সাথে পরিচয় পেয়া হয় যখন তিনি সাঁতার কাটতে যাওয়ার আগে সতর্কতা দিয়েছিলেন। তার উদ্ধারের জন্য অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়।
গুলিয়াখালী সৈকতে ঘটনার পর থেকে আশপাশের মানুষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা স্থান পেয়েছেন। পর্যটকদের মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়াটি সংক্ষিপ্ত হতে পারে, কিন্তু বিপদগ্রস্ত পর্যটকদের পরিচয় খুঁজে পাওয়া জন্য একটি ক্রমবর্ধমান প্রচেষ্টা চালানো হয়। গুলিয়াখালী সৈকতে যারা বেড়াতে আসেন তাদের সাথে যুক্ত সম্পর্ক এবং স্থানীয়দের কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
রিফাত শেখ গুলিয়াখালী সৈকতে এলাকার স্থানীয়দের নিকট থেকে প্রাথমিক সাহায্য নিয়ে সাঁতার কাটতে চলে যাওয়ার পর বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটে। তিনি একটি মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে দেওয়া হয়। উদ্ধার কার্যক্রমে কার্যত তার