News

জবাইয়ের ছুরি ২ হাজার টাকা পর্যন্ত, চাপাতির বিক্রি ওজনে

og_1779814174_6a15cf1e430a4

ঈদে কোরবানির সরঞ্জামের দাম ও চাহিদা

Bangladailypost.com – জব ইয় র ছ র ২ হ – ঈদের পবিত্র দিন বৃহস্পতিবার হয়েছে। কোরবানির ঈদ কেন্দ্র করে কামারের দোকানগুলোতে সরঞ্জাম কিনতে ভিড় বেড়েছে। ছুরি, চাকু, চাপাতি, মাংসের হাড় কাটার কুড়াল ও বঁটি বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। সরঞ্জামগুলো মিলছে বৈশিষ্ট্য ও ওজনভেদে।

কারওয়ান বাজার ও অন্য প্রান্তিক এলাকাগুলো

রাজধানীর কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী সহ বিভিন্ন স্থানে কামারপল্লিগুলো কোরবানির জন্য মাংস কাটার সরঞ্জাম তৈরির কাজ বেড়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে কারওয়ান বাজারে দেখা গেছে বিক্রেতাদের ভালো চাহিদা ও ক্রেতাদের সংখ্যা। সরঞ্জাম কিনতে ক্রেতারা বিভিন্ন সাইজে দা, ছুরি, বঁটি, চাকু ও চাইনিজ কুড়াল নির্বাচন করছেন। স্টিল সরঞ্জামের চাহিদাও বেশি হয়েছে।

ক্রেতাদের দাবি, গতবারের তুলনায় বর্তমান বছরে পশু কাটার সরঞ্জাম দাম বেশি পড়েছে। কিন্তু দোকানিরা বেশি দামের কথা স্বীকার করতে চান না। তারা জানান, আগের মতো চামড়া আলাদা করার ছুরি (ছোট) ৩০০ টাকা, মাঝারি ৩৫০ টাকা, পাগলু সাইড ছুরি ৪০০ টাকা এবং বড় জবাই ছুরি (স্প্রিংয়ের বাঁট) ৬০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লোহার ধরন ও আকার ভেদে ছুরির দাম ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায় পড়ছে।

“ঈদে কোরবানির পশু যত বেশি বিক্রি হবে, তত বেশি আমাদের বেচা হবে।”

বৃষ্টি আগের দুদিন বিক্রির উপর চাপ দিয়েছিল, কিন্তু ঈদের আগে মঙ্গলবার এবং বুধবার শেষ দুই রাতে ক্রেতাদের অপেক্ষা করছে। চাপাতির দাম কেজি ভেদে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চাইনিজ কুড়াল সাড়ে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা, লোহার বাঁটঅলা দা ৮-৯০০ টাকা, লোহার বঁটি প্রতি পিস সাড়ে ৫০০-৬০০ টাকা, ভোজালি প্রতি পিস ৭০০ থেকে ২ হাজার টাকা।

সুমিত কর্মকার নামে একজন বিক্রেতা বলেন, “সারাবছর এসব জিনিসপত্রের বেচা-বিক্রি মোটামুটি কম হয়। কোরবানির ঈদ এলে বিক্রি বাড়ে।” এ ব্যবসা অনেকটা কোরবানির পশু বিক্রির ওপর নির্ভরশীল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *