চিফ প্রসিকিউটর / ঈদের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার রায় হতে পারে
চ ফ প রস ক উটর ঈদ – চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন যে গণঅভ্যুত্থানে ঘটেছে মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার রায় ঈদুল আজহার পরে প্রকাশিত হতে পারে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাঁর কথাগুলোতে একটি সংক্ষিপ্ত সারাংশ দেন যে মামলাগুলো নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। চিফ প্রসিকিউটর তাঁর বক্তব্যে তদন্ত ও বিচারের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে এই ঘোষণাটি করেন। এটি তিনি জুন মাসের সম্ভাব্য রায় ঘোষণার কথা জানানোর সাথে সাথে প্রকাশ করেন।
তদন্তের প্রোগ্রাস ও মামলার বিশেষত্ব
‘আমাদের ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে ২২টি মামলার বিচার চলমান রয়েছে। রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ আছে দুটি মামলা। আশা করি ঈদের পরই এ দুই মামলার রায় হয়ে যাবে। আর ৩১টি মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা গুম-খুন এবং ক্রসফায়ারের মামলার তদন্ত হাতে নিয়েছি। এরই মধ্যে এসব কাজ শুরু হয়েছে।’
চিফ প্রসিকিউটরের এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে মামলাগুলো সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন যে মামলাগুলো কুষ্টিয়া ও রামপুরা জেলায় ঘটে এবং যথাসম্ভব শীঘ্র রায় প্রকাশ করা হবে। এই তথ্যগুলো বিশেষ করে ঈদের পর যে কোনো সময়ে রায় হবে সে কথা প্রমাণিত হয়েছে।
অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধের দুটি মামলার রায় ঘোষণার জন্য বিচার কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে মামলা জারি করা হয়েছে। এই মামলার ক্ষেত্রে চিফ প্রসিকিউটর এবং সহকর্মীদের কাছে বিচার প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে রামপুরায় একজন অপরাধী এবং দুজন মৃত ব্যক্তির ওপর মামলা গুরুতর দুর্ঘটনার প্রমাণ সহ জারি করা হয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর বলেন যে রায় ঘোষণার সময় বিশেষ করে ট্রাইব্যুনালে বিশেষ দৃষ্টিভরে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
রায় ঘোষণার অপেক্ষা ও সম্পর্কিত বিচার প্রক্রিয়া
ট্রাইব্যুনাল-১ এবং ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক মামলা দুটি বর্তমানে বিচারের প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। চিফ প্রসিকিউটর প্রকাশ করেন যে প্রাথমিক তদন্তের পর অপরাধীদের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া হবে। এ মামলার প্রমাণ সংগ্রহ এবং বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয়েছে। তিনি বলেন যে দুটি মামলার বিচার ঈদের পর নির্ধারিত সময়ে ঘোষণা করা হতে পারে। এই ঘোষণা পরিচালনার জন্�