রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে
র ম স হত য ম মল – পুলিশ পল্লবী থানার আদালতে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে সাত বছরের রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার বিরুদ্ধে একটি ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। এতে প্রধান আসামি মো. সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী মোছা. স্বপ্না খাতুনকে (২৬) ধর্ষণের পর মৃত্যু ঘটানোর অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলায় সাক্ষী হিসেবে ১৫ জনকে আহ্বান করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে ধর্ষণ ও হত্যার পাশাপাশি মূল অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জানান, মামলাটি গত ২০ মে পল্লবী থানায় করা হয়। এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ও ৩০ ধারা এবং দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন এবং মামলাটি ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দেন। বিচারক মাসরুর সালেকীন আগামী ১ জুন শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন। মামলার বাদী হিসেবে রয়েছেন নিহত শিশু রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।
সাক্ষী তালিকা ও বিশেষজ্ঞ প্রমাণ
তদন্ত কর্মকর্তা মো. ইসহাক আলী বলেন, মামলায় শেখ আবু সামা, মো. মনির হোসেন, রাইসা আক্তার ও মুহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম ওরফে রাজু প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে রয়েছেন। সুরতহাল, জব্দ তালিকা ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছে মো. মিজানুর রহমান লিটন, মাহমুদা খাতুন, মনিরুজ্জামান শাহীন, পারভীন আক্তার, এসআই রাশেদুল ইসলাম, রুমা আক্তার ও কনস্টেবল মো. শরিফ মিয়া।
তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান বলেন, “সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর মৃত্যুর ঘটনায় সহযোগিতার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।”
তদন্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, ডিএনএ বিশেষজ্ঞ শুভজয় বৈদ্য ও সিআইডি থেকে ডিএনএ, ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন আলামত বিশ্লেষণ করে অভিযোগপত্র প্রস্তুত করা হয়। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছেন।